বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

সমাজে ধর্মের প্রভাব

ইক্বরা, মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর বিশেষ দূত জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে মর্তে আগত প্রথম মহাপবিত্র বাণী। এর অর্থ হলো পড়ো।
উদ্ধৃত বাক্যটি আদেশ সূচক। অর্থ- যিনি সৃষ্টিকর্তার নাম প্রথমে লাও অত:পর পড়ো। জিব্রাইল (আঃ) নিজে বিসমিল্লাহ উচ্চারণ করেননি। আল্লাহ পাক জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে ঐ বাণী নবী পাক (সাঃ) এর মূখ মোবারকের মাধ্যমে উচ্চারণ করিয়ে নিতে উক্ত লাইনটি প্রেরণ করেন। তাই নবী পাক (সাঃ) এর মূখ মোবারকের মাধ্যমে পড়ার আগে অর্থাৎ প্রথমে বিসমিল্লাহ্ উচ্চারণ করেন। অর্থাৎ মহান আল্লাহর নামে পড়া শুরু করলাম যিনি সৃষ্টিকর্তা। মহান আল্লাহ নবী পাক (সাঃ) এর পবিত্র মূখ মোবারক থেকে প্রথম বিসমিল্লাহ উচ্চারণ করিয়ে, পবিত্র আল কোরান নাজিলের সূচনা করলেন। নবী পাক (সাঃ) প্রথম আল্লাহর নাম পাঠান্তে কোরআন তেলাওয়াত শুরু করেছিলেন। তাই ক্বোরআন শরীফের প্রত্যেকটি সূরার প্রথমে বিসমিল্লাহ উচ্চারণের রীতি শুরু হয়েছে। এর তাৎপর্য হচ্ছে আল্লাহর নামে যা শুরু হবে তা নির্ভুল কলূষমুক্ত হবে। তাই পবিত্র ক্বোরআনের প্রথমে বিসমিল্লাহর পরে “জালিকাল কিতাবু লা রাইবা ফিহ” অর্থাৎ এ গ্রন্থ নির্ভুল, কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। তাই প্রত্যেক মুসলমানকে সকল মঙ্গল কর্মের প্রথমে বিসমিল্লাহ উচ্চারণ করতে হয়। ব্যক্তি এবং সমাজকে বিশুদ্ধ করার ল্েয “বিসমিল্লাহ্” অতুলনীয় উপাদান। বিসমিল্লাহর উচ্চারণের অর্থ হলো, যে কর্ম সে আরম্ভ করেছে, উক্ত কর্ম বিষয় মহান স্রষ্টা আল্লাহকে সাী করলো। যে কর্মে আল্লাহকে সাী রাখা হয় উক্ত কর্ম নিঃসন্দেহে মঙ্গলজনক। যে জাতির আল্লাহ, রাসূল এবং মহাগ্রন্থ নির্ভুল সত্য সে জাতি নির্ভুল মহা পবিত্র নয় কি? নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই সে জাতি নির্ভুল মহা পবিত্র এবং চির স্বর্গবাসি। তারাই মুসলিম জাতি, জ্বালিয়েছে তারা শান্তির বাতি। আল্লাহ্ এবং নবীকে রেখেছে হৃদয়ে গাঁথি। তারাই পবিত্র মুসলিম জাতি।