মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

বর্তমান সভ্যতা

বর্তমান আরিক যুগে আমরা মনে করি শিার এবং সভ্যতার চরম শিখরে আরোহণ করেছি। তাত্তিবকভাবে ল্য করলে প্রতীয়মান হচ্ছে, যে, তার উল্টোটা। সভ্য সমাজ বলতে যা দরকার তা কোথাও পরিলতি হচ্ছেনা। সভ্যতার কিছুই নেই। আছে বর্বরতা, অসভ্যতা, অশ্লীলতা, অসত্যতা, ধোকাবাজী, দয়াহীনতা, লজ্জাহীনতা, খুন পিপাষা, হিংস্রতা-হিংসুক, লোভী, অহঙ্কারী, মানিরমান ধ্বংসকারী চর্চাকারী, অবৈধতাকে বৈধতা দানকারী, ভালোমন্দ মিশ্রণকারী এবং সর্বোপরি আছে জালেমী অত্যাচারিতা। সমাজে এসেছে পশু আচরণ। যেন পশুকে মানব সমাজে ভূক্ত করে মানব পশু একসাথে সমাজ গঠন করত চাচ্ছে। এসেছে মানব পশু ভালোবাসা মানুষ মানুষে ভালোবাসা যেন দুরাশা। মানুষ ছেড়ে কুকুর শিম্পাঞ্জি কাঁেধ-কাঁধে, কোলে-কোলে নিয়ে বেড়ায়। হায়রে মানব, যেন হয়েছে দানব! আছে উলঙ্গনারী এবং পুরুষ চিত্র প্রদর্শণ। মানুষ, মানব নয়নে এখন আর মানুষের মুখ মন্ডল দেখতে চায় না। সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের নামে যে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, তাতে দেখা যায় ঘোড়া-গাধা-হাতি-ব্যঘ্র-মহিষ ইত্যাদি নান ধরণের পশুর মুখোশ লাগিয়ে নৃত্য করে। এটাই নাকি মানব সভ্যতা সংস্কৃতি। এতে মনে হয় বর্তমান যাকে শিতি সমাজ বলা হয়, তারা উক্ত সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পশু সভ্যতার বিকাশ ঘটাতে চায়। পশুকে মানুষ বানাতে চায় না। মানুষই পশু হতে চায়। অসভ্যতাকে সভ্যতা বলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। উম্মুক্ত আকাশের নীছে মুক্ত মিলন ঘটাচ্ছে। মুক্ত মিলন পশু কর্ম নয় কি? বৈধতার সীমা পেরিযে অবৈধতার পরিসীমায় প্রবেশ করিয়ে, বৈধতার স্বীকৃতি দানের মাধ্যমে অবৈধ সমাজ গঠনে লিপ্ত রয়েছে। শ্লীলতা এবং অশ্লীলতার প্রশ্ন যেন আর নেই। উভয়- উভয়ের মধ্যে মুক্ত মিলন ঘটিয়ে একাকার হয়ে গেলো। যারা জ্ঞানী-গুণী সভ্যের দাবীদার বৈজ্ঞানিকগণ বলে বেড়াচ্ছেন যে, বন্য পশু শিম্পাঞ্জি নাকি মানব সম্প্রাদায় ভুক্ত। বর্তমান মানবিক মনোভাব পশু আকৃষ্ট হতে চলেছে। উক্তো উক্তিতে বুঝা যাচেছ যে, আজ মানব পশু সমাজ গঠনের ল্েয চুটেছে আবার জীবোপাদান থেকে জীন এবং কোন নামে নির্যাস উপাদান বের করে। মানবরূপকে বিভিন্নরূপে রুপান্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন আকার আকৃতি ধারণ করাতে চাচ্ছে। মহান স্রষ্টা কর্মকান্ড আচার-আচরণ ভালো লাগেনা, সে স্ত্রীকে ও ভালো না লাগারই কথা। এ এক আত্যাশ্চার্য্য বিভ্রান্তিকর মানবিক রুপ দানবীয় যুগের সূচনা হলো যেন। মানবকুল এখন আর মানুষ রূপ থাকতে চায়না, এখন পশু হয়ে দেখতে চায় তাতে কি রস-স্বাদ মিঠাই রয়েছে। বর্তমান মানবকুলে এমনি মন- মানসিকাতার লণ পরিলতি হচ্ছে। গভীর অজ্ঞাতা অমানিশার রাহুগ্রাসী অন্ধকার গনঘটার নিশীথিনী কাল চলছেতো চলছেই। যেন এক সত্য মিথ্যা মিশ্রিত মিশাল দজ্জালী যুগের সুচনা । দৈনন্দিন ব্যবহারিক বস্তু সমূহের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেই সহজেই অনুধাবন করা যায়। মিশ্রিত শিা, মিশ্রিত কথা বা বাক্য। অসত্যকে সত্যতে প্রতিষ্ঠিত করতে কৌশলে সত্য একটু জড়িয়ে রাখে এবং কৌশলে সত্যের মধ্যে বিথ্যে প্রবেশ করিয়ে দেয়। কারণ, সকল দিল- হৃদয়ইতো সত্যের সন্ধানী। সত্য একটু দেখলেই সে দিকেই ধাবিত হতে চায় মন। মুক্তিরাকাঙ্খিকে ঘায়েল করতে হলে সত্যের ছিটে ফোটা দিতেই হয়। ল্েযর খাঁচায় আটক করতে হলে নজর দৃষ্টিতে লোভনীয় ভোগ্য কিছু পতানো ফাদে রাখতেই হয়। ঠিক এমনিভাবেই বিভ্রান্তকারীগণ সহজ সরল মুক্তিকামী মুমীন মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করে বিপদগামী করেই চলেছে। নকল আর নকল, যেন নকল ও নকল। ডাক্তার নকল। শিক নকল, হুজুররূপের নকল হুজুর, নকল আলেম, কল পীর নকল, দরবেশ , নকল স্বামী, নকল স্বামী-স্ত্রী সাজিয়ে বিদেশ গমন। নকল কৌশলী, নকল  ঔষধ নকল খাদ্য। অথ্যাৎ যে দিকেই দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়, কেবল নকল আর নকলই পরিলতি হয়। দ্বীন প্রচারেও নকল। কতিপয় বক্তা সত্যকে প্রতিষ্ঠার ল্েয অসত্য নকল বক্তব্য জড়িয়ে রাখে। এটাকেই বলে দাজ্জালী প্রবাকান্ডা। দাজ্জাল, অর্থাৎ সত্য এবং মিথ্যা মিশ্রণকারী। এ যেন দাজ্জালী প্রভাব বলয়ে ঘূর্ণায়মান পৃথিবী। বর্তমানহ বিশ্বে বিভ্রন্তী সৃষ্টিকারীর, ধোকাবাজের ,নাফরমানের, মুনাফিকের, নিমকহারামের মিথ্যাচারীর, জালেমের, অত্যাচারীদের এবং দাজ্জালীদের বলয়ে প্রবেশ করেছে। তাই এ বলয়কে অত্যাচারী বলয় এবং জালেম বলয় বল্লে উত্তোক্তি হয় না। ধর্মের নামে ব্যক্তি স্বার্থোদ্ধার করছে। বিশ্বে সকল ধর্মাবলম্বীগণ ধর্মের বোল-ই আওড়াচ্ছে মাত্র। কিন্তু ধর্মের আদেশ নিষেধের বেলায় উদাসীন। সৃষ্টিকর্তা এবং অনন্তাকাল বলে যে একটি কথা রয়েছে, এটাতো একটি অনস্বীকারোক্তি। এ সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ নেই। জীবাত্মা গুলো অনন্তকাল পথযাত্রী হয়ে পানির স্রোতাকারে নিত্য গমনাগমন ধারায় বহমান। সে-ই অনন্ত জগত হতেইতো গমনাগমন ঘটছে। ইহকালীন অস্থায়ী জীবনকে সুšদর ও সুখের বানানোর জন্যে এবং অন্যায় অত্যাচার বিবেচার থেকে অস্থয়ী জীবনটাকে মুক্ত রেখে চির বা অনন্ত প্রবাসী হওয়ার জন্যেই স্রষ্টার নিকট হতে নানা ধরণের কঠিন হতে কঠিনতর ভীতি এবং আনন্দের সংবাদ দেয়া হয়েছে। আনন্দ বলতে স্বর্গ সুখের কথা বলা হচ্ছেহ। ভীতি নরকাগ্নিমূলক কঠিন শাস্তির কথা বলা হচেছ। এ দৃশ্যমান জগত সৃষ্টির পেছনে যে এক মহাশক্তিধর অর্থাৎ মতাবান সৃষ্টিকর্তা রয়েছে, এ উক্তিটি যেমন চিরন্তন সত্য তেমনি তাঁর প হতে ভীতি প্রদর্শণকারী শান্তির এবঙ শাস্তির সংবাদটি ও জলন্ত সত্য। অজানা কোন এক স্থান থেকে জীবাত্মাগুলো আসছে এবং কোন এ অজানা জগতেরদিকে ধাবিত হচ্ছে। এটাও প্রমাণিত জলন্ত সত্য। কোন এক অজানা অদৃশ্য মহাশক্তি দ্বারা  দৃশ্যমান জগত মমূহ সৃষ্টি হয়েছে। এটা যেমন সত্য তেমনি সেই মহাশক্তি হতেই আগত অকাট্য প্রমাণিত বাণীগুলো ও চিরন্তন সত্য। যাঁরা এ সত্যের ওপর নির্দ্বিধায় বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং আমরণ বিশ্বাসী হয়ে থাকবে, কেবল তাঁরা-ই প্রকৃত অনুসারী হিসেবে গণ্য হবে এবং সকল প্রকার অত্যাচার, অনাচার বেবিচার ,কলঙ্কমূলক অমানবিক কর্মকান্ড হতে মুক্ত থাকবে এবং স্রষ্টার সৃষ্টিকে ভালোবাসবে। স্রষ্টার সৃষ্টিকে ভালোবাসলে স্রষ্টাকেই ভালোবাসা হয়। বিশ্বের যত মহাত্মা, মহামানব এসেছিলেন উক্তো উক্তিটি-ই করেছিলেন। এ চলন্ত প্রবাহে আত্মচেনাবোধ এবং মানবতাবোধ যেন হারিয়ে গেছে। সেই মহাত্মা মহামানব গণ যেন অদৃশ্য হয়ে আছেন? এ যুগে মানবকুলে যেন নিকৃষ্ট হিংস্র পশু আচরন প্রতীয়মান হচেছ। জ্ঞানালোর যুগে অনজ্ঞি-অজ্ঞানী মুর্খের কর্ম কান্ডের প্রবাহ চলছে। দিনের মধ্যবাগে যেন কালো মেঘের ঘনঘটাচ্ছন্ন আকাশ। এ প্রবাহমান কালটিকে উন্নতমানের তথাকথিত বৈজ্ঞানিক যুগ বলা হয়ে থাকে। জ্ঞানতো স্রর্ষ্টা দান। স্রষ্টা প্রদত্ত জ্ঞানকে তাঁর বিধানানুসারে  সঠিকভাবে প্রয়োগ করলেইতো জ্ঞানের মূল্যায়ন হয়। আর এ জ্ঞানকেই ভুল পথে প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়। যে জ্ঞানে ধ্বংস সংঘটিত হয় এমন জ্ঞানের প্রয়োজন আছে কি? সভ্য সমাজে তা মোটেই কাম্য নয়। যে  জ্ঞান সমাজের জাতির উন্নয়ন ঘটায় এবং শন্তি আনয়ন করে এমন জ্ঞানেই মূল্যায়নকরা হয়। সে জ্ঞানকেই স্বার্থক জ্ঞান বলে অনুধাবন করা হয়। মানবোন্নয়নের নামে যে জ্ঞানাস্ত্র দ্বারা ধ্বংস কর্মে লিপ্ত থাকে তা শুধু ধ্বংসই ডেকে আনে তাতে উন্নয়ন সাধিত হয়না। যেমন পারমাণবিকাস্ত্র এবং বিভিন্ন মানণাস্ত্র আত্মরার নামে অবি®কৃত অস্ত্র সমূহ দ্বারা স্রষ্টার সৃষ্ট জীব এবং বস্তু সমূহ ধ্বংসই করে যাচ্ছে। অথচ ্ আবিষ্কারের পেছনে মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে, কিন্তু উন্নয়ন সাধিত হচ্ছেনা। রকেট আবিষ্কারের মাধ্যমে গ্রহ হতে গ্রান্তরে ছুটে বেড়াচ্ছে এর পেছনে ও অসংখ্য বিলিয়ন ব্যায় হচ্ছে। উক্ত আবিষ্কারের ফলে দারিদ্রতা দূর হলো কোথায়? দারিদ্রতা যেন আরো বাড়িয়ে দিলো। যারা ফলে বিশ্বে সন্ত্রাস বেড়ে- ই চলেছে। এ সকল অস্ত্র দ্বারা লাভ অপো তির দিকটাই বেশী। সতরাং এমন অস্ত্র সভ্য সমাজের মোটেই কাম্য নয়। অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যে অর্থ ব্যয় করা হয়, তার অর্ধেক অর্থ ও যদি মানবতার সেবায় অর্থাৎ দারিদ্র বিমোচনে ব্যবহার করা হতো, বিশ্বের শতকরা ৮০% ভাগ দরিদ্রতা দূর করা সম্ভব হতো। বর্তমান বিশ্বে সত্য ধর্মের মূল্যায়ন নেই। ধর্মের  মধ্যেই মানবতার শিা। ধর্মহীনতার মধ্যে  মানবতার বোল-বলা অর্থহীন। ধর্মীয় আচরণ নেই বলে মানবতা নেই। দ্বীন থেকে যখন পদস্খলন ঘটে,তখনই  মানবতাহীন অর্থাৎ অমানবিক কর্ম কান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে মানব অশান্তি নরকানলে জ্বলে পুড়ে  মরে। যেমন-বর্তমান কালে চলছে শিশু অপহরণ, খুন, রাহাজানি, ছিনতাই। অবৈধ জবর দখল। অন্যায় অত্যাচার অশ্লীলতা, মুক্ত মিলন, নাঙ্গা চিত্র প্রদর্শন, লজ্জাহীনতা , বৈধ পুরুষ রেখে অবৈধ পুরুষ মিলন, বৈধ নারী রেখে অবৈধ নারীতে সঙ্গম। এ যেন এক  মানবকৃতি নতুন এক পশুকুল। অবৈধ বলে একটি কথাছিলো, অবৈধ বোলটি কোথা বিলুপ্ত হয়ে গেলো। মহাত্ম শূণ্য হয়ে প্রেতাত্মাতে বিশ্ব ভরে উঠলো। এ পার্থিবধামে সকলইতো অস্থায়ী সবই প্রত্যাবর্তনশীল। সাময়িক সীমিত সময়ের জীবনে কেন ঘাত প্রতিঘাত ? মুহুর্তের মধ্যেই দেখা দিতে পারে অনন্ত প্রভাত। এতো এক  বিরতিহীন জীবন অর্থাৎ সকল জীবাত্মাই বিরতিহীন চলন্ত যানযাত্রী হিসেবে সাময়িক সীমিত সময়ের জন্র আসেন একটু আসন পেতে বসা মাত্র, সর্বশেষ মঞ্জিল ষ্টেশানে অর্থাৎ যখন শেষ থামায় থামবে তখন অবিলম্বে আসন ছেড়ে নামতে  হবে। চলমান সময় কালে অসতর্কাবস্থায় ,চোর শয়তান, যেন প্রয়োজনীয় স্বীয় মালামাল  সামান্য ও হরণ করতে না পার, সে ল্েয সদা সতর্কাবস্থায় চলন্তকালকে অতিক্রম করতে হবে এবং সাথীগণের  সাথে সদা ভালোবাসা হাসি খুশি স্নেহহ-মায়া-মমতা-মিষ্টি সদ্ব্যবহার এবং শান্তি শৃঙ্খলা রার মাধ্যমে পথাতিক্রম করে চলন্ত যান যাত্রীর দায়িত্ব সম্পন্ন করতে হবে। বুঝতে হবে এটাই মানবীয় দায়িত্ব।
    এ অস্থায়ী সীমিত পথের পথিক হয়ে, একে অন্যে, স্বজাতে-স্বজাে ঘাত প্রতিঘাত কেন? পশুকুলেতো এমনটি পরিলতি হয় না। মানবজীব, জীব জগতের সের শ্রেষ্ঠ জীব কিন্তু কর্মে চলছে পশু থেকে নিকৃষ্ট জাতের কোন এক জীবকুল। তাদের মধ্যে থাকবে ভালোবাসা পেয়ার মহব্বত একে অন্যের মধ্যে গড়ে নেবে সু-সম্পর্ক থাকবে সাহায্য সাহানুভূতি- সহযোগিতা। একে অন্যের মধ্যে সংযোগ রা করবে। স্বজাতে-স্বজাতে অর্থাৎ মানবে-মানবে ভালোবাসার সৃষ্টি করবে। মানবে পশুতে নয়। বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আতœীয়তার  রশি শক্ত হতে শক্ততর করে ভালবাসা দয়া মায়া, স্নেহ-মমতা মধু হতে আরো মধুতর করবে। মেয়ের বিনিময়ে ছেলে বানাবে, ছেলের বিনিময়ে মেয়ে এনে আপন মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করবে। একে অন্যের মধ্যে মধুর সম্পর্ক স্থাপন করে সত্যিকারের মানবতা নেই । এক মানব যদি অন্য মানব ভাই-বোনে মেরেই ফেলে, তবে আত্মীয়তা এবং বন্ধুত্ব হবে কার সাথে? নিশ্চয়ই পশুর সাথে নয়। হিংস্র পশু কর্তৃক আক্রান্ত হলে, আশ্রয়াশায় মানবাশ্রমেই আসা হয়। পশু আশ্রমে নয়। অভাব এবং কষ্টের অভিযোগ বা আবেদন নিবেদন মানব মানবের নিকটইতো করবে। পশু দরবারে  নয়। যদি একে অন্যকে মেরেই ফেলা হয়, তবে অভিযোগ নিয়ে কা নিকট ধেয়ে যাবে? জীবিকার সন্ধানে কার  নিকট করবে? মানব-মানবের কাজ মানবের কর্তৃত্বেই করবে। পশুরা কৃর্তৃত্বে নয়। যদি মেরেই ফেলা হয়, তবে কার কর্তৃত্বে কোথায় কাজ করবে? ঔষধের প্রয়োজনে মানুষ-মানুষের নিকটই যাবে, পশুর নিকট নয়। যদি মেরেই ফেলা হয় আরোগ্য হওয়ার ঔষধের খবর কার নিকট থেকে নেবে? রোগীর রোগমুক্তির ব্যবস্থা পত্র মানবেই তো দেবে। মেরে ফেল্লে ব্যবস্থা পত্র কে দেবে? ঔষধ আবিষ্কার মানবেইতো করে। যদি মেরে ফেলা হয়, ঔষধ আবিষ্কার কে করবে? অন্ন-বস্ত্রের আশায় মানুষ-মানুষের নিকটই যাবে।  মানুষই যদি না থাকে আশাহত চিত্তে জন-মানবহীন মর্ত্য জগতে দোরে দোরে ফিরবে। মহান স্রষ্টা কোন ব্যক্তিকে সকল জ্ঞানের অধিকাররী করে সৃষ্টি করেননি। তাই, মহান ‘আল্লাহ’ তাঁর পবিত্র গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, ‘ওয়াবতাগূ ইলাইহীল ওয়াছিলাহ্’ অর্থাৎ তোমার একে অন্যকে মেরে ফেল্লে, সংযোগ ,সহযোগিতা কিভাবে রা পাবে। কল-কারখানা ,জাহাজ তরী, গাড়ী বাড়ী মানবেইতো গড়বে। মেরে ফেল্লে গড়বে কারা? শিতি শিক হয়ে শিতি বানাবে, শিকই যদি না থাকে , তবে শিতি বানাবে কে? মানুষ মানুষকে নিয়েই আনন্দ উপভোগ করবেন, শূন্য মাঠে আনন্দ কোথায়? সমস্যা হলে সমাধানের জন্য পরামর্শ দাতা না থাকলে পরামর্শ দেবে কে? নিশ্চয়ই পরামর্শ দাতা পশু হবে না। জীবিকান্বেষনে বের হলে পথে চলতেই হবে, চলার পথ যদি বন্ধুর- দুর্গম হয় বা কোন প্রতিরোধের প্রতিকুলের বা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, সে প্রতিরোধের প্রতিকুলতার বা প্রতিবন্ধকতার সমস্য সমাধান কে দেবে? হাঁ নিশ্চয়ই পশুকুলে নয়, মানুষকেই দিতে হবে। সমাধান দাতা না থাকলে সমাধান দেবে কে? নিশ্চয়ই, মানুষকেই দিতে হবে। মোট কথা মানবকে মানবসমাজেই বসবাস করতে হবে। তাই যদি করতে হয়, তবে মানুষ মানুষেকে ভালোবাসতে হবে। মানুষ, মানুষে মিলেমিশে থাকতে হবে এবং সুন্দর সু-শৃঙ্খল সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কলঙ্কমুক্ত এবং বিশেষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ব্যক্তি দ্বারা সরকার গঠন করতে হবে। চিত্ত বিনোদনমূলক কর্ম-কান্ড শ্লীলতার মধ্যমে করতে হবে এবং আনন্দ উপভোগের জন্যে অনুষ্ঠান অনুুিষ্ঠত করতে হলে মানব ছাড়া কাকে নিয়ে করবে? সুতরাং উক্ত বিষয় গুলো ঠিক-ঠিক ভাবে করতে হলে চরম ধৈর্যের প্রয়োজন । যারা চরম ধৈর্য ধারণ করে ,তাদের সাথে সাথী হয়ে থাকবেন মহান স্রষ্টা আল্লাহ। প্রসঙ্গ ক্রমে না বল্লে নয়, ধৈর্য সম্পর্কিত একটি ঘটনা, তা হলো  এ ণস্থায়ী বিশ্ব জগতে সর্বশেষ যে মহামানবের আবির্ভাব ঘটেছিলো,তিনি ছিলেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠনবী হযরত মোহাম্মদ (দঃ) । তিনি একবার ধর্ম প্রচারের জন্য তায়েফ নামক স্থানে যান এবং  লোকদের বল্লেন হে তায়েফ বাসীগণ, তোমরা তোমাদের বানানো পুতুলমূর্তি বা পাথর পূজা করোনা। কারণ, তারা দেখেনা, কথা বলেনা, শুনেনা , তোমাদের কোন উপকার করতে পারেনা। তোমরা তোমাদের সৃষ্টিকর্তার ইবাদত কর। যিনি তোমাদের জীবিকার ব্যবস্থা করেন, তোমাদেরকে এ জগতে পাঠান এং তাঁরই দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যান, তোমরা তাঁর আদেশ নিষেধ পালনের বিনিময়ে পাবে অপূর্ব সুন্দর অনন্ত শান্তি, সুখের স্থান জান্নাত  বা স্বর্গ যেখানে অনাদি অনন্তকাল থাকবে। যেখানে দুঃখ নেই, খাদ্য পানির অভাব নেই, ফসল ফলানোর চিন্তা করতে হয়না। ফল-ফলাধির অভাব নেই। অপূর্ব সুন্দরী হুর বা রমণী তোমাদের সাথী হয়ে তোমাদের সাথে খেলাধুলা করতে অপো মান। তথা হিংসাদ্বেষ নেই, অভাব মুক্ত অভাবনীয় এক অনন্ত শান্তি সুখের জীবন। জীবিকার অন্বেষায় এদিক সেদিক ছুটোছুটি এবং আবিষ্কারের প্রয়োজন হবে না। সে এমন একস্থান ,যেখানে ঝড়-বৃষ্টি, বিজলী ,ভূকম্পন ধ্বংস নেই। আছে শুধু আনন্দ আর আনন্দ এবং বৃ ফুলের সমারোহ এবং আছে সু মিষ্টি , সুঘ্রান। তোমাদের এ মূর্তি ভগবান বা বানানো ঈশ্বরগুলো তেমাদের কিছু দিতে পারবেনা। তারা তোমাদের কোন উপকারে আসেবেনা। তারা তোমাদেরকে কিছু দিতে পারবেনা। তারা তোমাদের কোন কোন উপকারে আসবেনা। তারা তোমাদেরকে নরক অর্থাৎ চি আনন্ত আজাবের বা শাস্তির স্থান, অনাদি- অনন্ত অশান্তি কঠিন শাস্তির স্থান জাহান্নাম ব্যতীত আর কিছু দিতে পারবেনা। তোমাদের সৃষ্টিকর্তা একক। তাঁর কোন অংশীদার নেই। প্রতিদ্বনদী নেই তাঁর বিপরীত শব্দ নেই, প্রতিকূল প্রভাব নেই। তিনি সর্ব শক্তিমান । তাঁর নিকট যেতেই হবে কারণ, তোমরা তাঁরই খাঁচায় বন্দী। দূরে সরতে যত শক্তি দিয়েই চেষ্টা করনা কেন, দুরে সরতে পারবেনা। তোমরা এবং সকল সৃষ্ট জগতইতো তাঁর দান। সুতরাং প্রতিদান সরুপ তাঁকে তার প্রদত্ত বিধানানুযায়ী স্মরণ কর। অন্যথা কঠিন হতে কঠিনতর আজাব বা শাস্তির অপো কর। পাঠকবৃন্দ চিন্তা করুন উপরোক্ত পরম সত্য বাক্য  বা কথাগুলোর জন্যই তাঁকে নিপ্তি পাথরাঘাতে রক্ত ঝরিয়ে দিলো। কিন্তু তিনি বিশ্বনবি হযরত মোহাম্মদ (দঃ) তায়েফবাসীদের জন্য ধ্বংস কামনা না করে  বরং তাদের বুদ্ধি বিবেকের এবং বিভিন্ন উন্নতি কামনা করে প্রার্থনা করে ছিলেন, অধৈর্য হননি। প্রসঙ্গ ক্রমে উক্ত উক্তিগুলো স্থান পেলো উদাহরণ বা উপমা সরুপ ,যেন মূল বক্তব্যটি বুঝতে সুবিধা হয়। তাই উক্ত উক্তিগুলো উদ্ধৃত হলো , বর্তমানকালে মানবকুল অধৈর্য কেন? হযরত মোহাম্মদ (দঃ) বিশ্ব মানবের প্রতি কয়েকটি কথাই বলেছিলেন। তা হলো এই, হে বিশ্ব মানব মন্ডলী , তোমাদের সৃষ্টিকর্তা স্রষ্টা অদ্বিতীয় একক শক্তিমান আল্লাহকে একক ভেবেই তা প্রদত্ত বিধি মোতাবেক তাঁকে স্মরণ কর। সদা সত্য কথা বল, পরোপকার কর। এ কয়েকটি কথার জন্য কেন তাঁকে দান্দান-শহীদ করিয়ে দিলো? বন্ধী অবস্থায় উপোস করতে হলো। কেন জন্মস্থান করতে হলো? তা-হলে মানব কি উক্ত বাক্যগুলো মানতে বাধ্য নয়? কেন যুদ্ধ করতে হলো? মহাত্মা মহা মানবতো আসেন অস্থায় জগতের অস্থায়ী শান্তির পথাপো স্থায়ী শান্তির পথ প্রদর্শন করতে। সীমিত জীবনপথ পেরিয়ে অনন্ত জীবনে প্রবেশের সরল সঠিক পথেরা সন্ধান দিতে। এ মাটিতে ভুমিষ্ট হওয়ার সময় থেকে আমরণ আক্রানত্ ছিলেন কেন? নবীগণ আবির্ভূত হয়েছিলেন, অস্থায়ী সীমিত জীবনে শা›িত সুখের সন্ধান দিয়ে নিষ্পাপ-নিষ্কালঙ্ক এবং পবিত্র করিয়ে অনন্ত ধামে প্রবেশ করাতে। মজলুমী জীবন কেন কাটতে হলো? পবিত্র মহাত্মা মহামানবগণ অত্যাচারিত কেন? তবে কি মানবকূল সৃষ্টি কর্তা স্রষ্টার বিপরীতে অবস্থান নিলো?  তাই যদি হয়ে থাকে, পরিলতি হচ্ছে যে দ্বিতীয় কোন মহাশক্তির আশ্রয়ে যাচেছ এবং যাবে? এ বিভ্রান্তির গভীর অন্ধকারে করাল গ্রাসে কেন মানবকুল? যাওয়াব আল- ক্বোরান দ্রষ্ঠব্য। মহামানব হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এসেছিলেন  মানবকুলকে মু্িক্তর এবং মানবতার পথ নির্দেশনা দিতে। সে নিদের্শনা সমূহকেই ধর্ম বলে। সুতরাং  ধর্মই মানবতার উৎস । ধর্ম নেই, মানবতা  ও নেই। ধর্মহীন মানবতার বোল-বলা অর্থহীন। ধর্মীয় বিধানাবলি, শুধু বোল চালে এবং আলোচনার মধ্যে সীমিত  রেখে দৈনন্দিন কর্মকান্ডে সবার চরিত্রের  উপর তার প্রতিফলন না ঘটিয়ে,ধর্ম-ধর্ম, বোল-বুলি আওড়ানো, ধোকাবাজ এবং মোনাফিকের পরিচায়ক। অর্থাৎ ধর্মহীনতারই শামিল।  মহাত্মা মহামানবগণের কথাই বলতে হয় বার বার। কারণ, বিশ্বে একমাত্র  তাঁরাইতো আলোচিত। স্রষ্টার প থেকে মানবের মুক্তি দূত হিসেবে মর্ত্যে পদার্পণ করেছিলেন। এ-জবীন প্রবাহে জীবিকা নির্বাহের পথ নির্দেশনা প্রদান করে প্রত্যাগমণ করলেন। সেই নির্দেশিত পথে চলন প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিতে পারলেই নির্দেশিকা সমূহের প্রতিফলন ঘটালেই এ অস্থায়ী সীমিত জগতে এবং অনন্ত জীবনে শান্তি সুখ অবধারিত। কিন্তু মানবকুল কূচক্রি শয়তানের চক্রে বিভ্রান্ত হয়ে বিপদগামী হয়। মুক্তির দূত মহাত্মা মহামানবগণ অন্ধকারাচ্ছন্ন ভ্রষ্টদেরকে আলোতে নিয়ে আসেত এবং শান্তি সুখের মুক্তি পথের দিক-নির্দেশনা দিতে গিয়ে অহেতুক অত্যাচারিত হয়েছিলেন ভ্রষ্ট মানবকুল কর্তৃক। মানবকুল নির্দয় নিঠুর কেন? বর্তমান দৃষ্টিতে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, চলমান প্রবাহে ধৃত মানবকুল হতে পশুকুলই উত্তম। তাদের ভাষায় সীমিত সময়ের মধ্যে আলোচনা শেষ করে, আপন আপন গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। আরো ল্য করা যাচ্ছে যে, পশু-পাখি ,কীট-পতঙ্গ এবং বৃ-লতা উদ্ভিদজাত তারা মানবজাতির শিক হিসেবে নিজ নিজ কর্মে রত রয়েছে। স্রষ্টার সৃষ্ট জগতের নিকট ঋণী রয়েছে এবং থাকবে নির্বোধ মানবকুল । মানবকুলকে তাদের নিকট থেকে শিা নিতে হবে এবং স্রষ্টা প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করতে হবে। সৃষ্ট জগত যদিও শিকের ভুমিকা পালন করছে, কিন্তু তারা মানবের জন্যেই সৃষ্ট। মানব তাদের দ্বারা উপকৃত হচ্ছে এবং মানবকে বাঁচিয়ে রাখার কাজেই নিয়োজিত। তাদের ওপর কোন প্রকার কিতাব অবর্তীণ হয়নি। স্রষ্টা অন্যান্য সৃষ্টকুল কর্তৃক মানবকুলকে বাচিয়ে রেখে আপন উদ্দেশ্য সাধন করাবে আথ্যাৎ গুনগান করাবে। মানব যদি প্রাপ্ত দায়িত্ব ঠিক ঠিক ভাবে পালন না করে, প্রতিফল ভোগ করতেই হবে অবশ্যই এবং তার জন্য প্রস্তুত থাকরেত হবে। তাদেরকে শিক হিসেবে দেখলেও পশুকুলের মধ্যে যে ভুল নেই তাও একেবারে সত্য নয়। তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ রয়েছে। সুযোগ পেলেই দুর্বলকে দাড়িয়ে মারে, স্থাপন দখল করে নেয়। কিন্তু তা স্থায়ী নয় সীমিত সময়ের জন্য মাত্র। কিন্তু  মানবকুলের ন্যায় নির্বোধ জাহেল এবং বিশৃঙ্খল নয়। বর্তমান মানবকুলাপো উত্তমই পরিলতি হচ্ছে। বর্তমান মানবকুল যেমন চালাচ্ছে খুন-রাহাজানি, অন্যায়-অত্যাচার,অবৈধ কমৃকান্ড , জবর দখল ,জুলুম অশ্লীলতা নদীর বহমান স্রোত ধারার মত। তা করেব কখন বন্ধ হবে কারো জানা নেই। মানবকুলাপো পশুকুল শান্ত এটা অনস্বীকার্য, তারা মানবকুলের মত-অশান্তানলে জলে পুড়ে আত্মহত্যা করছেনা। করলেও অপোকৃত কম সংখ্যক যা হিসাবে বহির্ভূত ।অত্যচারের  স্রোতধারা যেন  তীব্র  হতে তীব্রতর, গভীর হতে গভীরতর হচ্ছে, যা-প্রতিরোধের উপায় খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা। একটি  মাত্র উপায়  রয়েছে, তা হলো  ‘আল ক্বোরন’ ।  “আল-ক্বোরান” অনুসরণ, অনুকরণের  মধ্যেই শান্তি  নিহিত। সৃষ্ট পশুকুল আপন  স্ব-জাত মিলে দলবদ্ধভাবে বা সমাজ বদ্ধভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এব ং  একই সীমিত  স্থান অবস্থান করছে। বর্তমানে মানবকুলে যেন সে সমাজই নেই। কেউ কারো  কর্তৃত্ব  মানছেনা।একে   অপরে  সম্মান প্রদর্শন করছেনা। যেমন-আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট “বুশ” এবং বৃটিশ প্রধান মন্ত্রী “ব্লেয়ার” তারাতো  বর্তমান  বিশ্বের রাজনৈতিক প্রোপটে অনুসরণীয় । কারণ,  তারা কথায়-কাথায় মানবতার বোল বোলতে থাকেন। কিন্তু  তাদের  বর্তমান কর্ম কান্ডের মাধ্যমে এটাই  প্রতীয়মান হচ্ছে যে, বর্তমান  বিশ্বে বুশ এবং  ব্লেয়ারই সেরা জালেম, অত্যাচারীরূপে আবির্ভূত হয়েছে। কাণর, আকারণে ইরাকের  উপর যুদ্ধ চাপিয়ে অত্যাচারীর বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে।  তাতে  বর্তমান বিশ্ব তাদের প্রতি রা-গোশ্বা প্রকাশ করতে গিয়ে , বুশ ্ বেং ব্লেয়ারকে মিথ্যুক-কাপুরুষ-ধোকাবাজ-সেরা বেহুঁশ বলতেও দ্বিধা করছেনা। সাধারণতঃ মানুষ শক্তিধর সবলকে ভয়ে মেনে চলে অর্থাৎ তাদের মনোঞ্জন করতে চেষ্টা করার অভিনয় করে। কিন্তু তারা ইরাক যুদ্ধে অমানবিক-অম ানবতার কর্মকান্ড ঘটিয়ে যে প্রতারণার খেল দেখালো, তাতে বিশ্ব-বিবেক অবাক ও প্রকারন্তরে হতাশ।
    মতা  আর শঠতায় জাতিসংঘের আদেশ অমান্য করলো। জাতিসংঘকে অমান্য করার অর্থ বিশ্ব মানবকে অমান্য করা।  এক সাী অপো  দশ সাীর পইে রায় ঘোষিত হয়ে থাকে। সুতরাং প্রতীয়মান হচ্ছে যে দশজনের সাীর মূল্যায়ন বেশি এবং স্রষ্টাও সাধারণত তাদের পইে থাকেন। এ কথাও সত্য যে, দরিদ্র, এতিম এবং অত্যাচারিদের উপরেই মহানস্রষ্টা দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখেন।তাই, যাদের পে স্রষ্টা থাকেন  তাদের  মুক্তি বা  জয় অবধারিত।
    রাজনৈতিকভাবে ইরাক হেরে গেলেও মূলতঃ নীতিগতভাবে ইরাকের-ই জয় সংঘটিত হয়েছে। কারণ, বিশ্ব অভিযুক্ত করেছে যুদ্ধাপারধি বলে আক্রমাণকারীকে । তারা থুক-ধিক্কার দিচ্ছে মিথ্যুক কাপুরুষ-ধোকাবাজ বলে বুশএবং ব্লেয়ারকে’ সুতরাং তারা ধিকৃত হিসেবে অমরত্ব লাভ করেছে। আর ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম  তাঁর ব্যক্তিগত ব্যক্তিত্ব যা- ই  থাকুক না কেন, তা আলোচনার বিষয় নয়।  আলোচনার বিষয় হচ্ছে যে, যে কারণে ইরাক অ াক্রান্ত হলো, তা কতটুকু সত্য ছিলো? সে দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে দেখা যায় যে,  যুদ্ধের কারণটি ছিলো  সম্পূর্ণ মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং সেই দিকে আলোকপাত  করলে সাদ্দামেরই জয় হয়েছে এবং সাদ্দামই বিজয়ী হিসাবে চির অমরত্ব লাভ করেছে।
    বর্তমান বিশ্বে মহাত্মা মহামানবের আবির্ভাব যেন অত্যাবমশ্যক। মানুষতো  মহামানব বানাতে পারবে না। মহানস্রষ্টা আল্লাহর ইচ্ছে নুযায়ী  মহামানবের আগমন সংঘটিত হয়। বর্তমান মানবগণ গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে প্রবেশ করছে জীবনের প্রয়োজনে। মানুষতো নিজের এবং অন্যের জীবন বাঁচাতে পারবেনা। আপন ইচ্ছায় মরণ-বাঁচন সংঘটিত করতে পারবেনা। একমাত্র স্রষ্টাই সর্ব শক্তির অধিকারী। তিনিই পারেন সব করতে। সকল মতার উৎস মহাশক্তি যিনি একমাত্র আল্লাহ্ । সৃষ্টিলোকে  যা ঘটছে, তাঁর প থেকে ঘটছে। মানুষ যে কর্ম করবে, তারই প্রতিফল লাভ করবে। জীবন এবং জীবিকার মালিকতো মানুষ নয়। সকল জীবাত্মা এবং জীবের জীবিকার মালিকতো মহান স্রষ্টা আল্লাহ। যত  চেষ্টাই করা হোকনা কেন, অনন্ত জীবন লাভের উদ্দেশ্য, চিরকলা কেউ থাকেনি,   থাকবেওনা।  কারণ এ জীবরন নস্বর  অস্থায়ী অনন্ত নয়। যে কোন গ্রহে  বসবাসের ব্যবস্থা করা হোক না কেন মৃত্যু বা অন্তর্ধান বা পরগমন অবধারিত জীবিকার তাগিদে বা  অন্যের প্রয়োজনে, অন্য কোন গ্রহে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।   মহান সুষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত যে আহারাদি ,বর্তমান গ্রহে, বর্তমান রয়েছে, তা মহাপ্রলয়, অতিক্রম করবে। বর্তমানাপো আগামীতে জীব যতই বৃদ্ধি পাবে, খাদ্য ততই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ হতে বাড়তে থাকবে। কারণ সকল জীব  বস্তু সমূহ স্বয়ং সৃষ্টি কর্তারই সৃষ্টি। যিনি সকলের মালিক তিনিই তাঁর জীব  জগতের আহারাদির ব্যবস্থা করবেন।  মানব শুধু আকাঙ্খা এবং চেষ্টা করার মালিক।  তাও আকাঙ্খা এবং  চেষ্টা করার সুস্থ্যতা এবং শক্তি প্রদানকারী ও মহান সৃষ্টিকর্তাই। এ শক্তি  অর্জনের জন্যে ও প্রার্থনা করতে হবে সেই মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে। খাদ্যই যদি না পেলো তাঁর পালিত জীবগুলোর কি অবস্থা হবে! তিনিই ভালো জানেন। মানুষ শুধু সুষ্ঠ সুন্দর  মানবিক সম্পর্ক একে অন্যের মধ্যে রা করে যাবে, নিজেও সুন্দরভাবে বাঁচার চেষ্টা করবে, অপর কেও বাঁচে দেবে।মানুষ যেন নিজেকে অন্যের মধ্যে দেখতে পায়, অন্যের কষ্ট প্রত্য করলে, তা যেন নিজের দুঃখ বা কষ্ট বলে উপলব্ধি করে।অন্যের তিকে যেন নিজের তি বলে মনে করে। অন্যের সুন্দর সুখ যেন নিজের বলে মনে করে। মানুষ এ ইহধামে যেন  নিজেকে একজন অস্থায়ী মুসাফির বা নস্থায়ী মনে করে। যারা উক্তিগুলো দৃঢ়ভাবে মনে রাখবে, তাদের মধ্যে লোভ-মোহ-প্রাবৃত্তি ,হিংসা, দ্বেষ, অহঙ্কার, ভোগ-বিলাসের লালসা থাকতে  পারেনা,  ফলে তার জীবন  হয় শান্তি সুখের। অনন্তকালেও সে হবে বিশেষ পুরষ্কারের অংশীদার।  জীবনকে এমনই করে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে  জীবিকার জন্য হা-হতাশ করতে হবেনা। ল্য  থাকবে শুধু  মানবিক দায়িত্ব পালনের  সতর্কতার দিকে। স্রষ্টা প্রদত্ত  যে জ্ঞান আক্বল লাভ করেছে তা যদি  সুন্দর সু পরিকল্পিত ভাবে কাজে লাগানো যায়, তবেই জ্ঞানের মূল্যায়ন হবে।  প্রাপ্ত জ্ঞানকে ধ্বংসাত্মক  পথে ব্যয় করে যদি শান্তির আশা  করা হয়, তা হবে সুদূর পরাহত বা অবান্তর। অসম্ভব আশা নিষ্ফলই বটে। যেমন-চলচ্চিত্র দ্বারা  ক’সংস্কারের বিকাশ ঘটাচ্ছে। চরিত্র ধ্বংস হয়েছে,  অশ্লীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।  অবৈধ কর্ম কৌশলদূর পরাহত বা অবান্তর। অসম্ভব আশা নিষ্ফলই বটে। যেমন-চলচ্চিত্র দ্বারা  ক’সংস্কারের বিকাশ ঘটাচ্ছে। চরিত্র ধ্বংস হয়েছে,  অশ্লীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।  অবৈধ কর্ম কৌশল শিায় শিতি হচ্ছে। অধুনা শিা জগতে আদর্শগত চরিত্র গঠন মুলক শিার ব্যবস্থা নেই।  আছে শুধু জীবিকার্জনের কৌশল শিা। এ শিা  অতীব প্রয়োজন বটে, কিন্তু চরিত্রহীন  জ ীবন-জীবিকা মূল্যহীন। জীবিকার্জনের কৌশল শিায় শিতি হয়ে,  জীবিকা অর্জন করে ঘুমানো আর শৌচাগারীয়  কর্ম সমাধা করা-এটাই কি মানবিক কর্ম বা দায়ীত্ব? নিদ্রা খানা এবং মলত্যাগ করা কর্ম পশুরাও  করে  মানবতো শুধু এ তিনটি সীমিত কর্ম জীবন নিয়ে পৃথিবীতে আসেনি। এ সম্পর্কে পূর্বোক্ত আলোচনায়  অ ালোচিত হয়েছে।  তবুও পূণঃব্যক্ত করতে হচ্ছে। উ্ক্ত তিনটি  কর্ম পশুকুলেও   করে থাকে তারা জীবিকান্বেষায় এখানে সেখানে ছুটো-ছুটি করে জীবিকা সংগ্রহান্তে ঘুমোচ্ছে, মল ত্যাগ করছে। মানুষ যদি একই  কর্মে সীমাবদ্ধা থাকে, তবে মানুষ ও পশু পর্যায় ভুক্ত হয়ে যায়। মানব পরিচয়ের স্বার্থকতা কোথায় ? মানব হিসেবে মানবিক দায়িত্ব কি? মানব, জীব জগতের সেরা জীব বলে  দাবীদার যখন, দায়িত্ব ও রয়েছে সেরা নিশ্চয়ই । সে সকল বিধান সমূহ ঠিক  ঠিক ভাবে পালিত হলেই মুক্তি সু নিশ্চিত। অন্যাথায় নরক  শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। সাজা থেকে মুক্তি পেতে হলে দায়িত্ব পালনে  অলসতার অবকাশ নেই। আজাজিল শয়তানের চক্রে ধৃত যারা, তারাই ধর্মের প্রতি  উদাসীন। উদাসীনতার কারণে সীমিত পার্থিব জীবনে এবং অনন্ত অসীম  স্বর্গ সুখ হতে বঞ্চিত । যাদের সীমিত বিবেক কেবল তারাই উদাসীন। উদাসীতার কারণে র্ধম সম্পর্কে এবং স্রষ্টা সম্পর্কে  বিবেকহীনভাবে ধর্মীয়  বিশ্বাসহীনতার কারণে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের অভাবে অর্থহীন মন্তব্য করে থাকে। বিবেকহীনতার কারণে মস্তিষ্ক বিকৃতির ন্যায় কর্মকান্ড ঘটিয়ে থাকে এবং নিজেকে স্রষ্টাপো বুদ্ধিমান বলে মনে করে। ফলে  প্রকৃত মস্তিষ্ক বিকৃতির পরিচয় দেয় এবং তার বাক্যগুলো অর্থাৎ অর্থহীন  বাক্যোক্তিতে  পরিণত  হয়। স্রষ্টা সম্পর্কে যে-যাই বুলকান কেন,  তাতে  স্রষ্টার কিছুই আসবে-যাবেনা। কিন্তু বক্তা বা উক্তি দাতা নিজেই ধ্বংস হবে। সময় মতো  সতর্ক হয়ে নির্দেশিত দায়িত্ব পালনে রত  থাকলেই মুক্তি পথ উম্মুক্ত  থাকবে এবং বিধান বহির্ভূত কর্ম থেকে  বিরত থাকবে।