সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৪

“দরুদ এবং সালাম সম্পর্কে আলোচনা”

আল্লাহর দরুদ অর্থ্ৎা নবী (দ:) এর ওপর এবং আল্লাহর ধূতগণ যে দরুদ পড়েন তাকে আল্লাহর দরুদ বলা হচ্ছে। ২২তম পারায় সূরা আহজাবের ৫৬তম আয়াতে তাশাহুদের দরুদের কথা বলা হয়নি, তাশাহুদের দরুদ শুধু নামাযের জন্য নির্ধারিত নামায ছাড়া পড়া যায়। কিন্তু আল্লাহ এবং ফিরিস্তাগণ যে দরুদ এবং সালাম পড়েছেন বা পড়তে বলেছেন তা আলাগ যেমন, ছুল্লোল্লাহু আলাইহী ওয়া ছাল্লেমু তাসলীমা অর্থাৎ সম্মানের সাথে দরুদ এবং সালাম প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। এ দরুদ এবং সালাম, লঙ্ঘন করবে যে বা পাঠে অবহেলা করবে সে কুরআন পাকের আওতা ভুক্ত থাকবে না। মুসলীম দুনিয়া হতে বঞ্চিত হবে। বাস্তব এবং অবাস্তব শব্দদ্বয়ের আলোচনায়। আল্লাহ নামক সর্বশক্তিমান আলোর কোন কেন্দ্র স্থল বা উৎপত্তির স্থল নেই। যেমন সূর্যের আলোর কেন্দ্রস্থল আছে ঐ আলোর গোলক ফিন্ড কেন্দ্র থেকে আলোর বিকিরণ ঘটছে। সূর্যের সে আলোর গোলক বা বস্তু পদার্থের গোলক ফিন্ডই হোক, মোট কথা সূর্যের কেন্দ্র বিন্দু পরমাণুই হোক, সে পরমাণুর দৈর্ঘ্য প্রস্থ আছে, যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ আছে, নিশ্চয়ই তার আকার আছে। যে আলোর পরমাণু নেই, তার দৈর্ঘ্য প্রস্থও নেই সুতরাং সে অনন্ত অসীম আকারহীন অর্থাৎ নিরাকার এবং অতুল, উপমাহীন, অদ্বিতীয় একক, একমাত্র সর্বশক্তিমান। বিশেষ বিষয়, আল্লাহ নামের মহা নূরের আকার নেই, তিনি নিরাকার, অকূল সীমান্তহীন, অনন্ত, অসীম, তাঁর অর্থাৎ আল্লাহ নামের নুরটির উৎপত্তিস্থল নেই, কেন্দ্র বিন্দু নেই, অণু-পরমাণু নেই, অণু পরমাণু থাকলে তার দৈর্ঘ্য প্রস্থ থাকবে তার কণা থাকবে, কণা থাকলে তার প্রতি ছায়া থাকবে, আল্লাহ নামের নূরের কোন প্রতিশব্দ বা প্রতিচ্ছায়া নেই, এ মহা আলোর কণাও নেই এটাই মহা শক্তিমান একক আলো আল্লাহর নামের বাস্তবতা এখানে কণা বিশিষ্ট আকারের ব্যবধান অর্থাৎ কণা বিশিষ্ট এবং লিঙ্গ বিশিষ্ট ঈশ্বরের মধ্যে মহা শক্তিমান আলোর আল্লাহর ব্যবধান। তাঁর সৃষ্টি জগতের প্রতি পরমাণুতে সে, মহা আলো এবং তাঁরই সৃষ্ট নূরে হাবীব অর্থাৎ নূরে মুহাম্মাদ (দ:) সর্বশক্তিমান নূরে আল্লাহতে মিশে একাকার হয়ে অবস্থান করছেন। যাঁরা ধ্যান, ইন্টারনেট, ফেসবুক খুলেছেন তাঁরাই এদ্বয়ের অর্থাৎ আল্লাহ এবং রাসূলের সাথে বার্তা আদান প্রদান করতে পারছেন এবং পারবেন আল্লাহর অস্তিত্বের  বাস্তবতা এবং নবী (দ:) এর আগমনের বাস্তবতার প্রমাণ রেখে পর্দায় গিয়েছেন, আল্লাহর নূর প্রদর্শন করেছেন, এবং নবী (দ:) কে স্বপ্নে বা তন্দ্রায় বাস্তবাকারে প্রদর্শন করেছেন। তাঁদের পথে যাঁরা থাকবেন তাঁরাই দর্শন করবেন।