মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

স্রষ্টার সৃষ্টির, স্রষ্টার অসীমালয়ে অবস্থান

 স্রষ্টা সম্পর্কে  আমার মত ুদ্র থেকে ুদ্র, ুদ্রাতি ুদ্রতর কীট জীব, জীবাণুর, মোটেই সম্ভব নয়। যারা বিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ অর্থাৎ বিশেষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী সেই মহাত্মাগণের বর্ণিত বর্ণনার  দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে  প্রতীয়মান হয় যে, মহান স্রষ্টা আল্লাহর মতা  বা শক্তি অপরিসীম, সীমাহীন অসীম অর্থাৎ সর্বশক্তিমান।  মহান শক্তি সম্পর্কে আল্লাহ স্বয়ং তার পবিত্র অল-ক্বোরানে বর্ণিত হয়েছে।  আল্লাহর স্বয়ং বলেন, ( ইন্নাল্লাহা আলা কুল্লি শাই ইন ক্বাদীর) অর্থাৎ সমগ্র সৃষ্টি জগতের উপরে সর্বোপরি সর্বশক্তিমান তিনি “আল্লাহ্” । তাঁরই সৃষ্টি আঠার হাজার মাখলক্বাত অর্থাৎ আঠার হাজার সৃষ্ট জীব জগত, আঠার হাজার “গ্যালাক্সি”  জগত ও বলা যেতে পারে, এ সীমিত জীবনে দৃশ্যমান নিহারিকা  বস্তু সমূহ সবই এক সষ্টার সৃষ্টি। একেকটা“গ্যালাক্সি” জগতের মধ্যে অসংখ্য সৌর জগত বা নত্র জগত বর্তমান রয়েছে। একটির সাথে আরেকটির সম্পৃক্ততা রাকারী অসংখ্য গ্রহ উপগ্রহ রয়েছে। প্রত্যেকটি উপগ্রহের আয়ত্বের মধ্যে অসংখ্য উল্কা রয়েছে। সবগুলো আপন আপন ক পথে ঘুর্ণায়মানবস্থায় ঘুর পাক খাচ্ছে। সৃষ্টির আদি থেকে যে যে নিয়মের উপর অবস্থান করছিলো , এখনও সে, সেই নিয়মের উপরই অবস্থান করছে। একই শক্তির প্রদত্ত  একই নিয়মের উপর অবস্থান করবে এটাই স্বাভাবিক । কস্খলন বা কচ্যুত হলেই সব এক সময় ধ্বংস হয়ে যাবে। যাকে আমরা মহাপ্রলয় বা কিয়ামত বলে থাকি। কোন এক সময় সন্দেহাতীতভাবে মহাপ্রলয় সংগঠিত হবেই। সাধারণ ধ্বংস এখনো হচ্ছে। যেমন প্রতিনিয়ত ‘উল্কা’ ধ্বংস হয়েই  চলেছে। রাতের আকাশে ল্য করলেই তা প্রতীয়মান হবে। যে উল্কা তার কচ্যুত বা দলচ্যুত হয়ে খসে পড়ছে নরকীয় অগ্নি কচ্যুত উল্কাটিকে জ্বালিয়ে ছাইকরে ধরাপৃষ্ঠ নিপে করছে। এভাবে প্রতিটি জীবাত্মাকে উল্কার ন্যায় কল্পনা করলে দেখা যাবে যে কচ্যুত এবং দলচ্যুত হয়ে খসে পড়ছে। এবং শরীর পদার্থ বা উপাদান গুলো আপনাপন স্থানে মিশে যাচ্ছে। শরীরোৎপত্ত্বিস্থান মাটিতেই  মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে এবং আত্মগুলো আত্মারস্থানে চলে যাচ্ছে। ল্য করলে সহজেই অনুমেয় যে, মহান স্রষ্টার বিধান বা নীতি নিয়মানুসারে তার সৃষ্ট গুলোকে, কা'কে কখন কোথায় কিভাবে সংরণ করবেন, তার নির্দিষ্ট চিহ্নিত চিহ্নস্থান নির্ধারিত রয়েছে।
    ছোট ছোট প্রলয় যখন হচ্ছে, বড় বিশালকায় মহা প্রলয়তো হবেই। সৃষ্টির সেরা জীব মানবের দায়িত্ব হচ্ছে স্রষ্টা প্রদত্ত জীবন বিধানগুলো ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয়  জীবনে প্রতিষ্ঠা করা।