মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

দেখার বিষয়

ধর্ম প্রতিষ্ঠার ভিত্তি কোথায় কত শক্ত? কোথায় কত নরম বা নড়বড়ে, যারা ঈশ্বর, ভগবান এবং দেবতা নামের উপর  ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছে তার শক্ততা কত? ঈশ্বর-ভগবান এবং দেবতা এ তিনটি শব্দ হচ্ছেহ ধর্মের ভিত্তি মূলক শব্দ। এ সম্পর্কে বেশি কথা না বাড়িয়ে স্বল্প কথায় বলা যায় এ তিনটি শব্দের প্রত্যেকটি দ্বিবাচক বা দ্বিবচন শব্দ, অর্থাৎ প্রত্যকটির বিপরীত শব্দ রয়েছে। যেখানে পরিত-বিপরীত অর্থাৎ অনুকূল প্রতিকূল যেখানে অনুকূল প্রতিকূল একই বৃত্তে অবস্থান করছে সেখানে এক অপরের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা এবং ভয়-ভীতি অশান্তির  সম্ভবনাও সূর্যের মত উজ্জ্বল। সেই বৃত্তে বা  ঘরে কোন প্রাণীর পইে শান্তিতে নিদ্রার আশা-দূরাশা। যেখানে শান্তির আশা  করা যায় না, সেখানে বসবাস করাও  সম্ভব হয় না। যে বৃত্তে বা ঘরে কোন প্রকার ভয় ভীতি থাকেনা সংঘর্ষে ভেঙে  পড়ার  আশংকা থাকেনা সেই বৃত্তের বা  ঘরের ভিত্তিতে হচেছ শক্ত  অনড়। যে বৃত্তে বা কে অনুকূল প্রতিকূল অর্থাৎ স্ত্রীলিঙ্গ পূংলিঙ্গ আর্থাৎ নারী পুরুষ অবস্থান করে, সেখানে যে কোন দিক হতে যে কোন প্রকারের সংঘর্ষের সম্ভবনা উজ্জল। সুতরাং তৎকরে শান্তি তিরোহীত এবং তা সুর্যের ন্যায় সত্য। এখন ল্যনীয় হচেছ, ঈশ্বরের প্রতিশব্দ ঈশ্বরী অর্থাৎ পুরুষ ঈশ্বর এবং নারী ঈশ্বর।
    ভগবান’ শব্দের  প্রতি শব্দ ভগবতী অর্থাৎ পুুরুষ ভগবান এবং নারী ভগবান। এবং  দেব বা দেবতা শব্দের প্রতি শব্দ দেবী অর্থাৎ ‘পুরুষ’‘দেব’ এবং নারী দেব বা দেবী। প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ঈশ্বর ভগবান দেব এই শব্দ গুলো দ্বিবাচক বা প্রতিশব্দ মুলক শব্দ। সুতরাং এউক্ত শব্দ গুলোর ওপর ভিত্তিকরে যে সকল ধর্ম প্রতিষ্ঠিত, চিন্তার বিষয় হচ্ছে সেই ধর্ম গুলোর ভিত্তি কত শক্ত বা মজবুত? ‘গড’ এর প্রতিশব্দ ‘গডেজ’ অর্থাৎ  পুরুষ গড এবং নারী ‘গড’ আর্থাৎ ঈশ্বর এবং ঈশ্বরী , দ্বিবাচক বা প্রতিশব্দ মূলক শব্দ। সুতরাং সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান। বক্র রেখার মধ্যে সরল রেখার আশা  অবান্তর। অর্থাৎ বক্রতার মধ্যে সরলতার আশা দুরাশা। বক্রপথের মধ্যে সরল পথের আশা বা আকাঙ্খা অর্থহীন । বক্র পথে অর্থাৎ আঁকা-বাঁকা পথে সংঘর্ষের সম্ভবনাই  থেকে যায়। একটি গাড়ি যখন বাঁকা স্থান অতিক্রম করার সময় মোড় ঘুড়াতে যায়, তখনই বিপরীত গামী গাড়ীটির সাথে সংঘর্ষের সম্ভাবনা বেশি বেশি রয়ে যায়। সরলতার সরল পথের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা তেমন থাকেনা বল্লেই চলে। মহান স্রষ্টা আল্লাহ্ তাঁর পবিত্র বাণীর মধ্যে “ছিরাতল মুস্তাক্বীম” অর্থাৎ সরল পথ বলে উল্লেখ করেছন। অর্থাৎ মুক্তিকামীগণকে সদা সরল রেখায় সরল পথে চলার আদেশ প্রদান করেছন। কারণ সরল রেখায় সরল পথে বা সরলতার মধ্যেই সাধারণত শান্তি সুখ নিহিত এবং সংঘর্ষ মুক্ত ব্যক্তিই সমাজে, রাষ্ট্রে শান্তি সুখ অনুভব করতে পারে। এ শান্তি সুখের নামই হচ্ছে স্বর্গ বা জান্নাত। ধমীয় আলোকে যে ব্যক্তি ধারায় স্বর্গ সুখ অর্থাৎ অবর্ণনীয় অপরুপ, অসাধারণ সুন্দর্যের লীলা নিকেতন, অবিরাম দৃশ্যমান, স্রোতস্বিনী মিষ্টি মধুর বহমান নহর ধারা এবং ফলে ফুলে ভরা বাগানে নৃত্যরতা অপরুপা, মোহময়ী কায়ীনী, দর্পন শরীনি, মায়র নি, ললীনী তরুনীদের এবং মহান আল্লাহর দর্শন সম হন। অদ্বিতিয় আাল্লাহর উপর এবং তাঁর প্রেরিত পুরুষ হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর এবং আল-ক্বোরানের উপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করার নামই হচ্ছে ঈমান এবং যখন মহান স্রষ্টা সমস্ত জগত ধ্বংস করে আদল কেদারায় অসন পেতে বিচার কার্য সম্পন্ন করবেন সে মহা প্রলয়ের দিন অর্থাৎ “কিয়ামাতের” দিনটির উপর এবং আল্লাহর আদেশে মান্যকারী ফেরেশতাগণের উপর গভীর বিশ্বাস স্থাপন করার নাম-ই ঈমান। উক্ত বিষয়াদিগুলোর উপর  পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে পারলেই  মুমীনের সারীতে আসতে সম হয়। সারিতে আনার বা সারিতে আসার পেছনে কিছু কারণতো রয়েছে নিশ্চয়ই। তা-হালো সারিবদ্ধগণের  উপর স্রষ্টার প হতে নিয়ম বিধান আরোপিত হয়েছে, সে নিয়ম বিধান গুলোকে পুঙ্খনোপুঙ্খরূপে জীবনের প্রতিটি কর্মের উপর তার প্রতিফলন ঘটানো। প্রতিফলন ঘাটাতে পারলেই পূর্ণ ঈমানী মুমীন হতে সম হয়। প্রকৃত মুমীন হতে পারলে  পূর্ণ  মুক্তি অবধারিত। নিয়মনীতি বা বিধান সমূহ দর্শনে আল-ক্বোরান এবং  হাদীস লণীয়। উক্ত বিধানসমূহ কায়মনো বাক্যে অর্থাৎ
    অন্তরে দৃঢ়তার সাথে ধারণ করতে হবে।  তবেই এ জীবনে এবং পরানন্ত জীবনে শান্তি অবধারিত। মহান করুনাময় আল্লাহ শুধু  মানবকূলের জন্য বিধান তৈরি করেছেন তা নয়। সৃষ্ট জগতের  শৃঙ্খলা  রার জন্যে যে বাহিনী নিয়োগ করেছেন তাদেরকে আমরা   সাধারণত  ফেরেশতা বলি থাকি, তাদেরকে ও বিধান দিয়েছেনে।  তাদের মধ্য  থেকে কারা কোথা কতজন, কিভাবে কাজ করবে তার নিয়ম নীতি উক্ত গ্রন্থে বর্তমান রয়েছে।  উদ্ভিধ অর্থাৎ বৃরাজি এবং অন্যান্য প্রাণীকূলের জন্যে ও বিধান রয়েছে, মোট কথা  সৃষ্ট  জগত সমূহ স্রষ্টা প্রদত্ত বিধানানুসারেই  পরিচালিত হচ্ছে। গ্রহ, উপগ্রহ নত্ররাজী এবং গ্যালাক্্ির, নিহারিকা ইত্যাদি যা-ই বলুননা কেন সবাই আপনাপন কপথে চলমানাবস্থায় রয়েছে অর্থাৎ চালাচ্ছে। নিয়ম বা বিধান ব্যতিক্রম ঘটছেনা, ব্যতিক্রম ঘটলে ধ্বংস অবধারিত। যেমন উল্কা কচ্যুত বা দলচ্যুত হলেই ধ্বংস হয়ে যায়, যা প্রতি রজনীতে প্রতি নিয়ত ঘটছে এবং তা মানব দৃশ্যে দৃশ্যমান, জীবাত্মাগুলো আগমন প্রত্যাগমন করছে। এ নিয়ম মহা প্রলয় পর্যন্ত চলতে থাকবে। বৃ লতা অর্থাৎ সমস্ত উদ্ভিদ জগতেই আপনাপন গুণানুযায়ী স্রষ্টা প্রদত্ত নিয়মেই প্রকাশ এবং বিতরণ করা যাচ্ছে। পশু প্রাণী জগতকেও নিজ নিজ জীবিকা নির্বাহ করার নিয়ম পদ্ধতি বুদ্ধি জ্ঞান বিবেক প্রদান করেছেন সে অনুযায়ী তার জীবিকা নির্বাহ করে যাচ্ছে। তাদেরকে যে আক্বল জ্ঞান প্রদান করেছে, সে আক্বল জ্ঞান দ্বারা ভালো মন্দ পার্থক্যতা বিচার বিবেচনা করে, যা পছন্দ তা-ই গ্রহণ করে, যা পছন্দ নয়, তা পরিহার বা পরিত্যাগ করে। গরম ঠান্ডা অর্থাৎ শীতল তাপ শান্তি অশান্তি প্রভৃতি বুঝাতে পারে। আপধ বিপদ নিরাপদ সম্পর্কেও অবগত হয় এবং বিপদ মুক্ত নিরাপদাশ্রয় গ্রহন করে। আপনাপন সন্তান-সন্তদি লালন-পালন করে। দুষ্মনের আক্রমন থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারে। যে যাকে স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করবে তাকে নিয়ে নিরাপদ স্থানে বসবাসযোগ্য  বাসস্থান  বা বাড়ী  নির্মান করে এবং বিশ্চিন্তাবস্থায় জীবিকা নির্বাহ করে। হাতী-শৃগালে জোড় বাঁধেনা। অর্থাৎ স্ব-জাতির মধ্য হতেই  সাথী  নির্বাচরন করে থাকে  । পঁচা-গলা ভালো-মন্দ ব্যবধান বা পার্থক্য তারা বুঝতে পারে। স্ব-স্ব জাতের মধ্যে  সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করতে হবে এটাও  তারা  জানে।  পশু-পাখিদের মধ্যে ও বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্যও মাধ্যাম থাকে।
    আমার প্রত্য অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একটা মাধ্য ম  কুকুরের বহু চেষ্টা প্রচেষ্টার বা তদবীরের  পরই  একটি নারী কুকুর এবং একটি পুরূষ কুকুরের  মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করিয়ে দিতে সম হয়।  সকল প্রাণীকূল তাদের   নিজ  নিজ বা  স্ব-স্ব শরীর সুস্থ রাখার  উপায় সম্পর্কে  ও জ্ঞাত থাকে । বিপদ-আপদ সম্পর্কে ও পূর্ব ভাস বা সতর্ক বার্তা প্রেরণ করতে পারে। সঙ্কেত পাওয়ার সাথে সাথে যারা নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে পারে, তারা রা পায়। আর  যারা বার্তা পাওয়া  সত্ত্বেও অবহেলা করে,  বা আশ্রয়  লাভে সম হয়না,  তাদের হয়তো সে সঙ্কট কেটে উঠা ও সম্ভব হয়না।  মানবকুলে ও তা-ই পরিলতি হয়।  ল্য করে থাকতে  পারেন যে,  কাক পাখিদের মধ্যে  প্রায় শঃই দেখা যায়, কোন  কারণ বসতঃ কোন একটি কাক যদি  বিপাদগ্রস্ত হয়, বিপদগ্রস্ত কাকটি  যখন বিপদ সঙ্কেত মূলক শব্দে চিৎকার করতে থাকে দূর-দূরান্ত থেকে  কাকগুলো পিবদগ্রস্ত কাকটিকে উদ্ধারে  অতি দ্রুত ধেয়ে আসে এবং সমবেতভাবে  বিপদ সঙ্কেত মূলক শব্দের গতি বাড়িয়ে  অতি বিকট  কর্কশ  সুরে আওয়াজ বা চিৎকার করতে থাকে। উদ্ধারে  অকৃতকার্য বা ব্যর্ত হলে,  উপস্থিত সকলই জড়ো হয়ে অর্থাৎ  এক জা’গায় একত্রিত হয়ে কিছু সময় শোক দঃখ প্রকাশের পর  আপনাপন দায়িত্ব বা জীবিকান্যেষায় ছুটে যায় বা  কর্মস্থলে চলে যায়। মোট কথা পশু পাখিরও জীবনে ঁেবচে থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে। উপরোক্ত  বিষয় সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা জ্ঞান মানবের ও রয়েছে।  এতদ  সত্ত্বে ও মানবকুলকে বিশেষ  জ্ঞান  প্রদান করা হয়েছে, যা প্রাণীকুলকে  অর্থাৎ পশু পাখিকে  দেয়া হয়নি। মহান করুণাময় আল্লাহর সৃষ্টি জগতকে চুকরো টুকরো, চর্ণ বিচূর্ণ, পিষে পিষে, চুষে উপভোগ করছে।  আগুন-পানি-মাটি- বাতাস  সূর্য  কিরণ থেকেই মানব স্বার্থ  উদ্ধার করছে।  অগ্নিদ্বারা  খানা  পাকাচ্ছে।    কাষ্ঠ পোড়াচ্ছে, অলঙ্কার এবং অস্ত্র তৈরী করছে। কাসরা, মল, বর্জ্য  পুড়িয়ে   বিশুদ্ধ করছে।  পানীয় বিশুদ্ধ করছে এবং  মাটি পুড়িয়ে পাকা বাড়ি ইত্যাদি তৈরি হচ্ছে। মাটিকে  কুপিয়ে কুপিয়ে টুকরো টুকরো চুর্ণ বিচুর্ণ , ধুলো ধুলো  করে পানিদ্বারা কেদো কেদো করে  খাদ্যাহার চুষে  নিচ্ছে।  খনিজ  সম্পদ  বের করে ভোগ করছে।  পুথিবীটাকে  চিতল পিঠে করে দিচ্ছে  অর্থাৎ জ্বালি জ্বালি অর্থাৎ ছিদ্র ছিদ্র করে  দিচ্ছে।  মাটি  দ্বারা  বাড়ী  এবং ব্যবহিরক  পাত্র  তৈরী করছে।   লৌহ এবং  পাথর দ্বারা উপকৃত হচ্ছে।
    পানিকে পানির  হিসেবে বিশুদ্ধ করে পান করছে, যার অপর নাম জীবন রেখেছে। পানিকে বিভিন্নাকারে রূপান্তর করে পান করে থাকে। পানি থেকে  বিদ্যুৎ বা আলো  পাচ্ছে। পানি ব্যতীত খাদ্যোৎপাদন সম্ভব নয়। এক কথায়  পানি ব্যতিরেকে যে ক-দিন বয়সীমা রয়েছে, তা অতিক্রম করা অসম্ভব।  পানি ছাড়া জলজ প্রাণী ভোগ করা  যায়না। অর্থাৎ পানি ছাড়া জলজ প্রাণ  বাঁচেনা, তাই জলজ প্রাণ  ভোগ করা সম্ভব নয়।  পানি  ছাড়া কোন প্রাণই বাঁচতে পারবেনা।  হিসেব বিহীন তা ভোগ করে  যাচ্ছে।
    পানি না হলে যেমন প্রাণীকুল বাচেনা, তেমনি বাতাস না হলে  প্রাণীকুল বা  জীবজগত ও বাচবেনা।  পানিকে যেমন  বিশুদ্ধ করতে হয় বা  শুদ্ধতার প্রয়োজন হয়,তদরূপ বাতাস ও বিশুদ্ধ বা শুদ্ধতার প্রয়োজন রয়েছে। দুষিত বাতাসে অক্সিজেনের অভাব থাকে, তাই  অক্সিজেন ছাড়া  মানব   বাঁচা সম্ভব নয়। মানুষ   অক্সিজেন গ্রহণ করে বেচে থাকে। উদ্ভিদকুল অক্সিজেন  ত্যাগ করে কার্বনডাই অক্সাইড গ্রহন করে। মানব কার্বনডাই  অক্সাইড ত্যাগ করে এটা স্রষ্টার অত্যাশ্চর্য্য অপার মহিমা নয় কি? বাতাস দ্বারা  প্রাণীকুল শীতলতা  গ্রহণ করে উষ্ণ বা শুল্ক  বাতাসে প্রাণী বাঁচতে পারেনা। দূষিত পানিও পানেয় যোগ্য নয়। মোট কথা  বাঁচতে হলে বাতাসের  প্রয়োজন রয়েছে। এ পানি এবং বাতাস প্রকৃতিরই দান, এ স্রষ্টার মহাদান নয় কি? মানুষ কিছুই সৃষ্টি করতে পারেনা, রূপান্তর করতে পারে মাত্র। রূপান্তর জ্ঞান প্রকৃতিরই দান অর্থাৎ  স্রষ্টার দান।  স্রষ্টা প্রদত্ত  উপাদানগুলো থেকে ভোগ্যেরপাদান বের করে বিভিন্ন পন্থায় ররূ পান্তরের মাধ্যমে ভোগ করে। যেমন হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ইউরিনিয়াম,  ফোলানীয়ম, ফসফরাস ইত্যাদি  বের  করে। অর্থাৎ আবিষ্কার করে বিভিন্নকারে  ভোগ  করে স্রষ্টা প্রদত্ত পৃথিবী থেকে। মহা প্রলয়  পর্যন্ত উক্তানুরূপ আবিষ্কার করতে থাকলে  ও অসংখ্য আবিষ্কারোপাদান বাঁকি থেকে   যাবে।  বাতাসেকে বিভিন্নকারে বিভক্ত করে কর্মোদ্ধার করে যাচেছ।  যেমন ”ইথার” নামক বায়ুবীয় পদার্থের মাধ্যমে  পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত মহুর্তের মধ্যে বার্তা আদান প্রদান করে যাচ্ছে। যেমন জলযান চালানোর কাজে পানি  ব্যবহার করছে, তেমনি বাতাসের মধ্যে ও বাতাস যান  বা বায়ুযান চালিয়ে বাতাস ভোগ করছে ।  প্রকৃতির দানের  মধ্য থেকেই এ সকল যান-বাহন তৈরি করছে।
    অর্থাৎ আল্লাহর দানের মধ্য থেকে। বিভিন্নাকারে ভোগ করে যাচ্ছে। প্রাণীকুলকে বিভিন্নভাবে কাজে লাগাচ্ছে, অন্যান্য প্রাণী র তা পারেনা। খাদ্যা হার হিসেবে এবং ব্যবহরিক হিসেবে ব্যবহারের  মাধ্যমে ভোগ করে  যাচ্ছে।
    উদ্ভিদ জগতকে বিভিন্ন রূপে রূপান্তর করে ভোগ করছে। ফুল ফলাদি ভোগ করছেই। সূর্য কিরণ না  হলে প্রাণীকুল, উদ্ভিদ এবং মানব কিছুইতো বাচবেনা।  বাঁচতে হলে  তাপের প্রয়োজন । এ কিরণ  বিকিরণ থেকে আহার পাকাচ্ছে।  উক্তালোচিত  বিষয় বস্তু সম্পর্কে  মানব  ব্যতীত অন্যান্য প্রাণীকুল কে উক্ত বিষয় সম্পর্কে বিবেকক বুদ্ধি অক্বল এবং জ্ঞান দান করেননি। উক্ত বিষয়ের দিকে  আলোকপাত  করলে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, প্রাণী জগতের মধ্যে মানব প্রাণই  প্রধান  এবং শ্রেষ্ঠ। মনে হয় যে, মানবের জন্যেই  সৃষ্টি হয়েছে।  মানব কি কি পারে? সমগ্র বিশ্ব জগতকে  অর্থাৎ স্রষ্টার সৃষ্টকে চোষে চোষে  ভোগের মাধ্যমে বেঁচে থাকার মতা বা অধিকার মানব প্রাণীকুলেই  অর্জন করেছে। তাই মানবকুল গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে প্রবেশের চেষ্টায়রত রয়েছে। সেই প্রলয় পর্যন্ত  এমনিভাবে ভোগ করতে থাকবে।  আহারান্যেষনের  নামে সৃষ্টকে ধ্বংস করেই  যাচ্ছে, কিন্তু গড়তে  পারছেনা, পারবেওনা।  কারণ,  গড়ার মতা স্রষ্টা দেননি।  পানি ধ্বংসের মাধ্যমে রূপান্তর ছাড়া গড়তে পারেনা।  আগুন, স্রষ্টা প্রদত্ত উপাদান থেকেই লাভ করে, বাতাস এবং সূর্য সূর্যকিরণ বা আলো, স্রষ্টা প্রদত্ত  কিছুই মানবের  সৃষ্টি  নয়। তাপ,  থেকেই  লাভ করে থাকে। জ্ঞান বিবেক  বুদ্ধি স্রষ্টারই অবাদান। এ  প্রাপ্ত বিবেক ও বুদ্ধি বলেই ভোগের মাধ্যমে সব ধ্বংস করেই যাচ্ছে। মানব মানবাত্মা অর্থাৎ শরীরাত্মা স্রষ্টারই সৃষ্টি।   তাই মানবের গর্ব অহঙ্কার   বলতে  কিছুই  নেই।  কারণ  এমন মতা স্রষ্টা দেননি   যা দিয়ে মানব অহঙ্কার করতে পারে।  সৃষ্টির অধিকার  একমাত্র সৃষ্টিকর্তারই রয়েছে। সৃষ্টিকরার  মতা  মানবকে দিলে মহান স্রষ্টার মহানের মাহাত্ম্য বা সর্ব শক্তিমানের মহা শক্তিত্বের  অধিকার খর্ব হয়, স্রষ্টার শ্রেষ্ঠত্বই বিনষ্ট হবে। তাই মানবকে সৃ্িষ্টর মতা দেয়নি।  সৃষ্টির অধিকারী একমাত্র  স্রষ্টাই। ল্য করা যাচ্ছে যে, স্রষ্টার সৃষ্টিকে কেটে কেটে ভেঙ্গে চুরে চুর্ণ-বিচুর্ণ করে ব্যখ্যা  বিশ্লেষণ করে রূপান্তরের মাধ্যমে ভোগ করেই যাচ্ছে  এবং সমগ্র জীবকুল মানবকেই বাচিয়ে বা জীবিত রাখার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। মানবকে জীবিত রাখার কাজে সমগ্র সৃষ্টি কুলকে নিয়োজিত রাখার পেছনে কারণ বা যুক্তিকতা কি? অন্যান্য সৃষ্টিগুলো স্বীয় জীবন বিলিয়ে দিয়ে মানব সমাজ বা মানবকুলকে রা কর্মে রাত রয়েছে, যেন মানবকুলকে রা করাই তাদের জীবনের ব্রত এবং তা  পালনেই তারা সদা সতর্ক ব্যস্ত। মানব এবং অন্যান্য প্রাণীকুলের দিকে দৃষ্টিপাত করলে এটাই প্রতীয়মান হয় যে মানব  ব্যতীত অন্যান্য জীবন  শক্তিপ্রাপ্ত জীবন বা আত্মাগুলোর জীবনই সার্থাক জীবন। মানবকুল দ্বারা কারা উপকৃত হচ্ছে? কারা মানবকে কাজে লাগাচ্ছে? কারা মানবকে ব্যবহারিক জীবনে ব্যবহার করছে? অন্যান্য কজে লাগাচেছ? কারা মানবের তরে। কিন্তু মানব কেন? কাদের তরে এসেছে ধরে? মানব জীবনের স্বার্থকতা কোথায় ? অথচ মানবই জীবের সেরা জীব নামের দাবীদার । অন্যান্য জীবকুল সেরা জীব দাবীদার মানবগুলোর প্রতি যে অবদান রেখেছে, রেখে চলেছে, এবং তাদের এ নিঃস্বার্থ অবদান মহাপ্রলয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।  কিন্তু সেরা জীব মানবগুলো নিঃসার্থভাবে কার প্রতি অবদান রেখেছে? রেখে চলেছে বা রাখতে থাকবে? কেনইবা সৃষ্টি এ মানবকুল? পানাহার এবং পয় কর্মই শুধু কি মানবের দায়িত্ব? শুধু ভোগের জন্যেই কি এ সীমিত অস্থায়ী ধরাধামে আসা? এ  পৃথিবীতো সরাইখানা বা মুসাফিরখানা।  মুসাফির খানায় যেমন সাময়িক বা সীমিত সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথেই সে স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য থাকে, তেমনি এ পার্থিব জীবন সীমিত বা অস্থায়ী। এ অস্থায়ী সীমিত সময়টুকুন অতিবাহীত হওয়ার সাথে সাথেই মুহুর্তের মধ্যেই এ পার্থির সীমিত সময় বিশিষ্ট জীবন সরাইখানা বা মুসাফিরখানা ত্যাগ করতেই হবে। কোথা যাবে,  কোথা থাকবে গন্তব্যস্থলতো একটা আছেই। সেই গন্তব্যের স্থানটাইতো চির আবাসস্থল। উক্ত আবাসস্থলের মধ্যেই কে কোথা স্থায়ি আবাস গ্রহণ করবে, তা নির্ধারণ করবেন স্বয়ং স্রষ্টাই। এ  অত্যাশ্চর্য্য ভূ-জগতে আগমন এবং প্রত্যাগমন কার দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে? কেন এমন করছে? এ প্রশ্নতো থেকেই যায়। কারণ এবং ল্য বা  উদ্দেশ্য ব্যতীত কোন কর্মইতো সংঘটিত হয় না। যিনি এ সকল কর্ম ঘটাচ্ছেন  এর পেছনে তার কি কারণ থাকতে পারে? তাঁর উদ্দেশ্য সম্পর্কিত  কোন ইশারা বা বাণী রয়েছে কি? হাঁ রয়েছে নিশ্চয়ইু। মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্ তার সৃষ্ট জগত সমূহ সুন্দর সু-শৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সৃষ্টির আদি থেকেই তাঁর বাহিনী অর্থাৎ ফেরেশতাকুল  নিয়োগ করেছেন।  তাদের মাধ্যমেই বৃােদ্ভিদ পশুকুল এবং জ্বীন অর্থাৎ অদৃশ্যাগ্নিজাত, গ্রহ- উপগ্রহ নত্র-গ্যালাক্সি ইত্যাদি সৃষ্ট  জাগত সমূহ স্রষ্টা কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে।  এমন কোন অণু-পারমাণু নেই যে, উক্ত সৃষ্টবাহিনীহ  বা ফেরেশতা  কর্তৃক পরিচালনার জন্য এবং সমগ্রজীব জগতকে বাঁচানোর কার্যে নিয়োগ রয়েছে। এতদ ব্যতীত স্রষ্টার প্রিয়কুল অর্থাৎ  মহামানব নবীকুল সৃষ্টিকরে তাদের মাধ্যমে মহানস্রষ্টা আল্লাহ্ তাঁর মহা পবিত্রবাণী বিধান বা সংবিধান ব্যবস্থাপত্রও বলা যেতে পারে যে গ্রন্থসমূহ মহান আল্লাহ প্রেরণ করেছেন। নবী রসুলগণের মধ্যেও বিশেষ  বিশেষ ব্যক্তিত্বশীল নবী-রাসূল প্রেরণ করে যথা সম্ভব শৃঙ্খলা রার কাজে নিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু মানব এবং জ্বীনকুল  এতো ভয়ঙ্কর যে, শৃঙ্খলার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকতে চায় না । শৃঙ্খলার শৃঙ্খল ছিড়ে টুকরো টুকরো করে বিশৃঙ্খল-অশ্লীলতার এবঙ অশান্তির জগতে বিচরণ করতে ভালোবাসে।  তাই বার বার অসংখ্যবার পবিত্র বাণী সম্বলিত সংবিধান প্রেরিত  হয়েছিলো।  উক্ত সংবিধান সমূহে এ সীমিত সঙ্কটময় প্রতিন্ধক বন্ধর প্রতিকুল গতি সম্পন্ন জীবনপথ  অতিক্রম করার বিশেষ   বিশেষ দিক নির্দেশনা  বর্তমান রয়েছে। মহান  অদ্বিতীয় একক স্রষ্টার প থেকে বহু সংখ্যক কিতাব ছহীফা ছোট ছোট বই আকারে বিধাতার বাণী সংবিধান এসেছিলো,তন্মধ্যে চারটি মহা গ্রন্থাকারে মহা পবিত্র বাণী বিধান বিশ্ববাসী লাভ করেছিলো। তা যথাক্রমে তওরাত, জাবুর, ইঞ্জীল এবং ফোরক্বান বা ক্বোরান প্রধান। অর্থাৎ এ চারটি কিতাবই শ্রেষ্ঠ, এ চারটিরা মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বশেষ গ্রন্থই হচ্ছে আল-ক্বোরান।  এ সর্বশেষ সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপবিত্র বাণী ‘আল-ক্বোরান’ কর্তৃক পূর্বেকার সকল গ্রন্থই বাতিল বা নাকচ হয়ে গেছে। বিশ্ববাসীয় মুক্তির জন্যে “আল-ক্বোরানই” সর্বশেষ গ্রন্থ। এ পার্থির জীবন জগতে সীমিতকালে এবং রূপান্তর বা  মৃত্যুর পর অর্থাৎ পরকাল বা অনন্ত অসীম কালের অর্থাৎ উভয় কালে মক্তির বা শান্তি র পথের নির্দেশনা রয়েছে ্এ মহাপবিত্র গ্রন্থ। মহাপ্রলয় অর্থাৎ কিয়ামত পর্যন্ত এ মহাগ্রন্থ বিশ্ববাসীর জন্য অনুসরণীয় অনুকরণীয় । যে এ মহা গ্রন্থের উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তাঁরই মুক্তি অবধারিত।
    যারা তদানুযায়ী সীমিত জীবন পরিচালনা করেছে  উভয় কালেই  তাদের জন্য স্বর্গ বা জান্নাত নির্ধারিত রয়েছে বা শান্তি সুখ ভোগে সম হয়েছে। যে উক্ত  গ্রন্থের বিধান বা নিয়ম সমূহ প্রতিটি কর্মেেত্র  প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছে একমাত্র সে-ই-সরল পথের পথিক হয়ে মুক্তি লাভ করেছে। এ মহাপবিত্র গ্রন্থ আল ক্বোরান’ যাঁর মাধ্যমে বিশ্ববাসী লাভ করেছে তাঁরই পবিত্র নাম মোহাম্মদ (দঃ)। যিনি  হযরত মোহাম্মদ (দঃ) নামে খ্যাত। হযরত  মোহাম্মদ (দঃ)  ই বিশ্বাবাসীর জন্য  সর্বশেষ “নবী এবং রাসূল” । মহাপ্রলয়  পর্যন্ত আর কোন নবী-রাসূল আসবেন না। মহাপ্রলয় পর্যন্ত যে সময় রয়েছে,দ এরি মধ্যে  হযরত ঈসা (আঃ) এবং হযরত ইমাম মাহ্দী (আঃ) এর আবির্ভাব ঘটবে। কিন্তু নবী-রাসূল হিসেবে নয়,উম্মতে মোহাম্মদী হিসেবে আগমন করবেন। যাঁর মাধ্যমে  আল-ক্বোরানকে মহানস্রষ্ট আল্লাহর বাণী হিসেবে গ্রহণ করবেন। যাঁর মাধ্যমে  আল-ক্বোরন মহাবাণী ভূ-পৃষ্ঠে এসেছে তাঁকে ও শেষ নবী-রাসুল হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে হবে।  তিনিই হচ্ছেন স্রষ্টার সৃষ্টি মানবকুলের  জন্য আল্লাহর প হতে  প্রেরিত  শেষ নবী এবং রাসুল অর্থাৎ বার্তা বাহক । তিনি তাঁর ভাষায় উদ্ধৃত করেছেন “আন-খাতামুন্নাবীঈন” অর্থাৎ  আমি  নবীগণের মধ্যে শেষ নবী। পবিত্র ক্বোরানে ও উল্লেখ রয়েছে শেষ নবী বলে, অর্থাৎ মুখবন্ধ। বস্তার বা বাক্সের মুখবন্ধ করে সীলমোহর  মেরে বুঝিয়ে দেয়া হয় যে, কর্ম শেষ আর খোলাও  যাবেনা কিছু রাখার ও আর সুযোগ নেই। তাই হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এর মাধ্যমে  নবীকুলের সীলমোহর করা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে  নবী রাসুল  আগমনের সমাপ্তি  টানা হয়েছে। তিনি নিজ ভাষায় বলেছেন, লা-নবীয়া বাআদী অর্থাৎ  আমার পরে  আর কোন নবী নেই। বিষেশ ল্য করার বিষয় হচেছ, মানবকুলে অদি পিতা হযরত আদম (আঃ)  হতে অসংখ্য নবী এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কোন একজনকে ও মহান স্রষ্টা আল্লাহর প হতে খাতাম শব্দ বলে আখ্যায়িত করা হয়নি। নবী-রাসুল প্রেরণের প্রারম্ভে এবং মধ্যখানে ও না সর্বশেষ এ খাতাম শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। জ্ঞানী-বিজ্ঞ পন্ডিতগণ সৃষ্ট জগতের বর্তমান কালকে  কলিকাল বলে আখ্যায়িত করেছেন, অর্থাৎ সৃষ্ট জগতের সর্বশেষ কাল। সর্বশেষ কাল বা কলিকালের পরে আর কোন  কাল  আছে বলে কোন পন্ডিত বা বিজ্ঞ ব্যক্তিগণ বলেছেন  কিনা তা আমার জানা নেই।  এর পর যে  কাল রয়েছে তা প্রলয়কাল বা ধ্বংস কাল অর্থাৎ কিয়ামত কাল, বিচার কাল, আভ্যন্তরীন চিরস্থায়ী মর্ত্য াশরীরিকাল। যাঁরা হযরত মোহাম্মদ (দঃ) এর বাহিত পবিত্র বাণী ‘আল-ক্বোরানকে ’ গ্রহণ করলো তাঁর অদ্বিতীয়  একক আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করলো তাঁর এ গ্রন্থে  উল্লেখিত বিধানানুসারে স্বীয়  দেহ মনকে পরিচালনা করবে এবং নিজ নিজ পরিবার এবং সমাজের মধ্যে তার প্রতিফলন ঘটাতে সচেষ্ট থাকবে। এ মহাগ্রন্থ ‘আল-কোরানকে’ গ্রহণ করার অর্থ হচ্ছে মহান স্রষ্টা ‘আল্লাহর’ নিকট  আত্মসমর্পন অর্থাৎ কখনো উক্ত বিধান বহির্ভূত কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকতে বাধ্য থাকবেনা। বিধান  বহির্ভূত কর্মকান্ড  সদা অবৈধ বলে গণ্য হয় । যাকে ধর্মীয় দৃষ্টিতে ‘না জায়জ’ বলা হয়। এ গ্রন্থ এমন  এক এতিমের প্রতি  সদয়, ভিুকের প্রতি দয়া, ুধার্থকে অন্নদান , নিরাশ্রয়কে আশ্রয়, পড়োশির প্রতি সদ্ব্যবহার  এবং দুর্বলের প্রতি সাহায্য সহযোগিতা  করার নির্দেশ রয়েছে। এখানে ধর্ম-বর্ণ সম্পকের্  এবং স্রষ্টার সৃষ্টি হিসেবে মানবতা প্রদর্শণর কথা বলা হয়েছে।  এক কথায় খিদমাতে খালক’ অর্থাৎ সৃষ্টির খিদমাত  বা সেবা, মানবতার উত্তম কর্ম।এতিম সম্পর্কে স্রষ্টার উক্তি,  যে এতিমের  মাথায়  হাত বুলাবে সে যেন স্রষ্টার আরশে বা আসনে  স্নেহ-আদরের  হাত বুলালো। সাহয্য সহানুভূতি, সহযোগিতার বহুমুখী পথ রয়েছে। যার  পে যথাসম্ভব রা করে যাওয়াই  মানবিক দায়িত্ব। একই আদমের সন্তান হিসেবে একে অপরের  প্রতি  সাহায্য  সহানুভুতি সহযোগিতা হস্ত প্রসারণ করতে হবে।