মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

মধ্যাকাশে অমানিশা

আরিক যুগে অনারিকের পদার্পণ। অর্থাৎ শিার আলোতে আলোকিত ধরণীতে, অশিার পদচারণা। অস্থায়ী জীবনবার্যে এবং অনন্ত পরকাল, উভয়কাল সম্পর্কিত শিায় শিতি মানবকুল, গগনে-পাতালে হাওয়ই যান ছুটে চলেছে দিনে-রাতে। রস্রোতে উত্থাল তরঙ্গের ভীষণ ঝড়-ঝঞ্জার ঘুর্ণীপাকের বিদ্যুৎ চমকের দিনে চলার বন্ধুরপথে প্রবল বাধার কন্টকাতিক্রমান্তে চলে যায় নির্ভিক মানব আপনাপন ল্েয। শুধু এ অস্থায়ী জীবনের জীবিকাণ্যেষায় পশুজনের ন্যায়। কিন্তু মানবকুলতো পশু নয়!সৃষ্টির সেরা জীব। পশুকুল খাবে-ঘুমাবে-টয়লেট অর্থাৎ বাহ্য প্রস্রাব ত্যাগ করবে, এবং সংসার করবে বাচ্চা বা সন্তান-সন্ততি নিজেরাই আহার করার যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত লালন-পালন করার দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু উক্ত কর্মকান্ডগুলো সেরাজীব ঘোষিত মানবকুলে ও পরিলতি হয়।কিন্তু সেরাজীব মানবকুলের জীবন উক্ত কর্মকান্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তাদের দায়িত্ব অপরিসীম। সৃষ্ট জগত সমূহ মানব তরেই সৃষ্টি। বৃ-তরুসমূহ, পশু-পাখি, অগ্নি-পানি মাটি-বায়ু সৃষ্ট জগতকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে একে-অপরের মধ্যে দিয়েছে আকর্ষণ-বিকর্ষণ শক্তি। গ্রহ উপগ্রহ-নত্র সবই আপনাপন কাজে নিয়োজিত। মোট কথা, সমস্ত সৃষ্টিজগত সমূহে সৃষ্ট উপদানসমূহ একমাত্র মানবকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই সৃষ্টি। যেমন যে কোন সীমিত জা’গায় যে কোন প্রাণ বাঁচিয়ে রাখতে হলে প্রথমে তার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হয়। তেমনি মানবকুলকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যেই সৃষ্টজগত সমূহ সৃষ্টি । যে কোন প্রাণ- বাঁচিয়ে রাখার পেছনে কারণ া উদ্দেশ্য তো থাকবেই। কারণ ব্যতীত কোন শ্রম প্রয়োগ করা হয়না। মহান স্রষ্টা যে, মানব সৃষ্টি করেছেন এর পেছনে যে কোন উদ্দেশ্য নিহীত রয়েছে। তা কি? স্রষ্টার মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য একটাই। তা হচ্ছে স্রষ্টার সৃষ্ট বস্তুসমূহ ভোগ করবে আর স্রষ্টার প্রদত্ত বিধি-বিধান অর্থাৎ নীতিমালা অনুসরনের মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করবে । তাঁকে স্মরণ করলে তার বিনিময়ে স্বর্গ-জান্নাত নামক মহা শান্তি নিবাস , নিকেতন প্রদানের ঘোষনা দিয়েছেন। এবং স্বরণ না কররে নরক বা জাহান্নাম নামের কঠোর শাস্তির ও ভীতি প্রদর্শন করেছেন যুগে যুগে কালে-কালে মহাত্মা অর্থাৎ মহামানব প্রেরণের মাধ্যমে । তাঁরা যখনই স্রষ্টার প হতে স্রষ্টার বিধিমালা মানব সমাজে প্রদান করেছেন, ঠিক তখনই তাঁদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার নেমে আসতো। কারণ, তরা যখন এ সকল বিধিমালা প্রত্য করতো বা বিধির নীতি নিয়মের কথা শুনতো, তুনি তাঁর উপর চড়া ও হতো-নির্দয়ভাবে অত্যাচার চালাতো। মহা মানবগণ তাতে ও স্রষ্টার বাণী প্রচারে ান্ত হতেননা। স্রষ্টার প হতে যে দায়িত্ব তাঁরা প্রাপ্ত হয়েছিলেন সে দায়িত্ব তারা পুঙ্খানোপুঙ্খরুপে পালন করতে গিয়ে আত্যাচারিত লাঞ্চিত হলেও স্রষ্টার বাণী প্রচারে ান্ত হতেননা। স্রষ্টার বাণী প্রচারকাল সময়ের মধ্যে কিছু শান্তি নেমে অসলেও প্রত্যেক মহা মানবগনের প্রত্যাগমনের পর পরই পথ ভ্রষ্ট হয়ে নিকৃষ্ট জাতিতে পরিণত হয়ে অশ্লীলতার গভীর অন্ধকারে বিচরণ করতে শুরু করতো। এমনিভাবে ল কোটি কাল অতিক্রমণান্তে অর্থাৎ শেষ প্রান্তকালে মহান স্রষ্টার মহা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্মদ ( দ:) এর অবির্ভা শেষ প্রান্ত কালের গভীর তমশাচ্ছন্ন অন্ধকার অমানিশাতেই ঘটেছিলে। তিনি ও অভাবনীয় অবর্ননীয় অত্যাচার, লাঞ্চনা ভোগের মাধ্যমেই, মানবকূলের মুক্তির পথ নির্দেশিকা মহাগ্রন্থ আল-কোরআন রেখে গিয়েছেন। যে ক’টি কাল“আল-ক্বোরানের এবং হাদীসের” নির্দেশিকা অনুসরণে রতছিলো , ঠিক সে’কটি কাল-ই মুসলিম এবং বিশ্ব শান্তির আবর্তে আবর্তিত হচ্ছিলো। প্রায় শতকাল ”বিশ্ব” শান্তির বলয়ে অবস্থানের পর-পরই কচ্যুত হয়ে অশান্ত বিপর্যয় বলয় করে দিকে ধাবিত হতে লাগলো।
    ঠিক তখনই ওমর, মুসা-তারেক এবং খালেদের মতো বীর-বীরোত্তম বিশেষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী সম্পূর্ণ ব্যক্তিবৃন্দের অবির্ভাব ঘটলেও সে ধাবম-   বিশ্বের অশান্তের গতিরোধ করতে পারেনি। ধাবমান গতি শক্তি বৃদ্ধি হতে-হতে পূর্ণ বিপর্যয় বলয় কে প্রবেশ করলো দু-হাজার,দু-শাল ১১ই সেপ্টেম্বর সংঘটিত ঘটনার মধ্য দিয়ে। এবং বিশ্ব বিপর্যয় বলয়ের প্রবেশ দ্বারা হিসেবে বিশ্বের ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখান থেকেই অশান্তির অমানবিকতার নীতিহীনতার অন্যায় অত্যাচারের অন্যের ‘হক’ জবর দখলদারিত্বের দ্বারোম্মুক্ত হলো। বর্তমান মানবকুল সেই মানবকুলেরই বংশধর যারা জাকারীয়া নবী (আঃ) কে করাতে দ্বিখন্ডিত করেছিলো যাদের অমানবিক অত্যাচারের কারণে মহান স্রষ্টা আল্লাহ ঈসা (আঃ) কে জীবিতাবস্থায় স্ব-শরীরে উর্দ্বগমন করিয়েছেন। এরাই ইউসুফ (আঃ) কে কূপের তলদেশে নিপে করেছিলো। ইব্রাহীম (আঃ) কে অগ্নিকুন্ডে নিপে করেছিলো। মুসা (আঃ) কে মেরে ফেলার জন্য পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে নিজেরাই নীলনদীতে ডুবে মরেছিলো। সর্বশেষে বিশ্বে আগত  নবীগণের মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এ মানবকুল কর্তৃক অভাবনীয় অবর্ণনীয় অকথ্য অত্যাচারে অত্যাচারিত এবং লাঞ্চিত হয়েছিলেন। তাঁরা কি অন্যায় করেছিলেন? তাঁরা বলতেন, একই স্রষ্টার উপাসনা করতে এবং স্রষ্টা প্রদত্ত বাণীসমূহ আনুসরণ এবং অনুকরণের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। এটাই ছিলো নাকি তাঁদের অন্যায়! যে জাতের বিবেকের মধ্যে ন্যায় এবং অন্যায়ের বোধ শক্তি নেই, তাদের প থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা সুদূর পরাহত, তাই বলে কি তাদেরকে শান্তিতে রাখা এবং তাদের প থেকে শান্তি লাভের সূত্র প্রোয়গের ব্যবস্থা নেয়া যাবেনা? নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেয়া যাবে। সে দায়িত্ব আল্লাহর এবং রাসুল (সঃ) এর প থেকে জ্ঞানী গুণী, বিজ্ঞ-আক্বলমান ব্যক্তিগণের ওপরই আরোপিত হয়েছে। সে সূত্র বা ব্যবস্থাপত্র বা বিধানবলী মহান স্রষ্টা আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল মোহাম্মদ (স্ঃা) কর্তৃক প্রদত্ত নীতিমালাগুলো অনুসরণ, অনুকরণ করণ এবং করানোর গুরু দায়িত্বভার জ্ঞানী-গণিজনদের ওপরই  অর্পিত হলো। তা সঠিকভাবে প্রয়োগের মধ্যেই শান্তি অবধারিত। অনুসরণ এবং অনুকরণ করতে হলে প্রথমে তাওহীদের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। অর্থাৎ শীরক বিহীন একক কে যাঁর লিঙ্গান্তর নেই সেই একক কে নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করতে হবে এবং তাঁর প্রেরি বিধানগ্রন্ত আল-ক্বোরান যার মাধ্যমে প্রেরিত হয়েছে সেই প্রেরিত পুরুষ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)  কে দৃঢ়তার সাথে কায়মনো বাক্যে অন্তর গভীরে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। যারা উক্ত বর্ণিত বিধি মালাগুলো বিশেষভাবে স্বীকার করে নেবে, তারাই একত্ববাদী। যে একমাত্র একত্ববাদকে স্বীকার করবে, সে একক আল্লাহ প্রদত্ত বাণীগুলো বিশ্বাস করবে, মহা প্রলয়ের বিচারের কথা, ফেরেশতাকুলকে এবং মৃত্যুর পরে পুনরোত্থান সম্পর্কিত বাক্যগুলোকে ও বিশ্বাস করবে। সুতরাং বিধিনীতি অনুসরনের মাধ্যমে করবেই।