মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৪

আল্লাহর সর্বোত্তম আদেশ জনিত বাক্য

“ইক্বরা” অর্থাৎ পাঠ করুন। “ক্বারা” অর্থ পাঠ। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে প্রাণী কুলে, স্রেষ্ট প্রাণী মানব নামের প্রাণী কুল। মানব-কুল আল্লাহ হতে আদিষ্ট হচ্ছে,তাঁর স্ব-বাণীতে বলছেন বা আদেশ করছেন। “ইক্বরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজী খালাক্ব” অর্থাৎ নিজ প্রতি পালকের নামে পাঠ করো। যিনি সর্বস্রষ্টা, আল্লাহর সৃষ্টি মানব কুল আল্লাহ হতে আদিষ্ট হচ্ছে যে, যে কোন বৈধ কর্মের প্রারম্ভে সৃষ্টি কর্তার নামটি সর্বপ্রথম অর্থাৎ আল্লাহর নামটি উচ্চারণ করতে। তাই জ্ঞান বিকাশের জন্য অর্থাৎ অজানাকে জানতে পাঠ এবং ভ্রমন করতেই হবে। নবী (দ:) কে দিয়ে, গগনাকাশ ভ্রমন করিয়ে তথা “মিরাজ শরীফ করিয়ে” মানব কুলকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। যে জ্ঞান বিকাশেরে জন্য যত দূর ইচ্ছে চলে যাও। পরিলতি হচ্ছে স্রষ্টার আদেশ গুলোর মধ্যে সর্বোত্তম আদেশটি হচ্ছে পাঠ কর সর্বপ্রথম আমার নাম পাঠান্তে। দ্বিতীয় মহা আদেশটি হচ্ছে নবী (দ:) এর ওপর দরুদ এবং সালাম পাঠ না করলে সর্ব শেষ, প্রেরিত আল্লাহর মহা পবিত্র গ্রন্থ বা সংবিধান আল কুরআনের আওতায় ভুক্ত থাকবে না। কুরআন স্বা দিচ্ছে “সূরা আলাক্ব”  
বি:দ্র: নবী (দ:) এর সর্বপ্রথম উচ্চারিত শব্দ ‘বিসমিল্লাহ’ দ্বিতীয়টি হচ্ছে ‘ইক্বরা’।
পূর্বোল্লেখিত উক্তিটি পুনরাবৃত্তি করছি, তা হলো স্রষ্টার সৃষ্ট সকল আত্মাই আলোরাত্মা।

যমহা প্রলয় ময়দানের, তাঁরই মতো করে আলোতে আলো আকারে নীজেকে প্রদর্শন করাবেন এবং প্রয়োজন বাণী প্রদান করবেন। আল্লাহর প্রেরিত কোন মহা মানব তাঁকে দেখেছে কোন প্রমাণ নেই। শুধু মুসা (আঃ) দেখার জন্য অভিমান করলে, তাঁর সে বাসনা পূরণ করার ল্েয আল্লাহর নূরের ছায়া প্রদর্শন করিয়েছিলেন। কিন্তু নূরের ছায়ার প্রথম ঝলকেই মুসা (আঃ) জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, নূরের ঝলকের ঝলকানীতে কূহে তূরের কিয়দাংশ জ্বলে কালো পথরে পরিণত হয়, তা আজও পরিলতি হচ্ছে এবং ল ল মানুষ দর্শনার্থে কূহেতূর পাহাড়ে ধর্না দিচ্ছে। সে জ্বলন্ত কালো পাথর এনে চুসুরমা হিসেবে ব্যবহার করছে। আমাদের নবী মুহাম্মদ (দঃ) যখন মিরাজ শরীফে অর্থাৎ আকাশ ভ্রমনাবস্থায়, যেখানে আল্লাহর সাথে কথা আদান প্রদান করেছেন, সেখানে, “ইয়া নাবী সালাম আলাইকা” বলেনি “আসসালামু আলাইকা, আইয়্যুহান্নাবিয়্যু” শব্দটি ইয়া শব্দের পরিবর্তে বলা হয়েছে। ইয়া শব্দটি ও বিনোই নম্র ভাব প্রকাশক শব্দ ব্যবহার করে মহান স্র্যষ্টা আল্লাহ তাঁরই সৃষ্টি নবী (দ:) কে সম্বোধন সূচক  শব্দে ডেকে বলেছেন, “ইয়া আইয়্যূহাররাসূল” বলে আহ্বান করেছেন। শব্দটি নিকটতম এবং দূরাবস্থিত জনকে আহবান সূচক শব্দ বুঝায়।
নবী (দঃ) আল্লাহ থেকে দূরে অবস্থান করেননি যে, “ইয়া” সম্বোধন করে ডাক দেবেন। এত নিকটে ছিলেন যে, “ইয়া” ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি, তাই আইয়্যূন্না বিইয়্যূ” শব্দে ডেকেছেন আল্লাহ এবং নবী (দঃ) এর মধ্যে কত দূরত্ব ছিলো যদিও দু একটু বলা আছে কিন্তু মূলত বলার মতো মতা বা সে দূরত্ব মাপ যন্ত্র মানবের নেই। যদি একটু ল্য করা যায় আধা গ্লাস পানির মধ্যে বাকি আধা গ্লাসে দুধ ঢেলে দেয়া হয়, তখন দুধ পানিতে মিশে একাকার হয়ে যাবে। মিশ্রিত পানি এবং দুধ একাকার হয়েছে কিন্তু তা যাঁদের নিকট সে যন্ত্র আছে, তাঁরাই জানতে পারেন দুধ এবং পানির মধ্যে দূরত্ব কত? আমার জানা নেই। তবে মিশ্রিত দুধ এবং পানির মধ্য খানে পদার্থ পর্দা আছে তা আমাদের এই দর্শন শক্তির বাহেরে। বিসমিল্লাহ বাণীটি ঊনিশ পারায় সূরা নমলে আঁয়াত হিসেবে যুক্ত হয়ে এসেছে, তুলনাহীন, সর্ব শক্তিমান একটি বাক্য, এ বাক্যটি হচ্ছে স্রষ্টার সৃষ্টির এবং কুরআনে পাকের ভিত্তি। এ বাক্যটিই স্রষ্টার সৃষ্টির এবং মহা পবিত্র কুরআনে পাকের মালীক এবং রক। এ বাক্যটি যেথা প্রয়োগ করা হবে, সেখানে কোন অবৈধতা মিথ্যা কুচক্রান্ত অসত্য উক্তির স্থান নেই। এ বাক্যে রয়েছে সর্ব শক্তিমান রাহমাত, বারক্বাত, করুণা এবং শক্তির তরঙ্গ। এ বাক্যটি অবহেলিত বা লঙ্ঘীত হলে সে সর্ব শক্তিমান স্রষ্টা আল্লাহর করুনা রাহমত, বারক্বাত থেকে বঞ্চিত হবে। এ বাক্যটি থেকেই সমগ্র সৃষ্টি জগতের একটি অণু পরমাণু ও বঞ্চিত হয় না। এ বাক্য শক্তি বলেই সৃষ্টি রতি হচ্ছে। যে দিন এ আলো মহা শক্তিমান তথা আল্লাহ কে স্মরণ করার মতো কেউ থাকবে না। সে দিন মহা প্রলয় সংঘতি হবে কিছুই থাকবে না।