মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৪

একটু খুলে বলা হচ্ছে “ইয়া”

ইয়া আরবী শব্দ, ইয়া  সম্পর্কিত আলোচনা ইয়া= অর্থাৎ হে, ওহে, ওগো সম্বোধন সূচক। যেমন হে বন্ধু, ওগো প্রিয় ওগো এদিকে এসো ডাক সূচক শব্দ তুমি কোথায় আছ? যেখানেই থাকনা কেন, আমাকে ভুলবে না। আমা হতে মুখ ফিরিয়ে রাখবে না। তুমি পৃথিবীর যে কোন জায়গায় থাক না কেন তুমি আমার অন্তরের-অন্তর হৃদয়ের কেন্দ্র বিন্দুতে চির জীবন্ত। সব সময় তুমি উপস্থিত যে দিকে তাকাই শুধু তুমি আর তুমি আমার, আমায় ভুলবে না। ইয়া আল্লাহ আপনি এবং আপনার দোস্ত মুৃহাম্মাদ (দ:) সদা আমাদের হৃদয়ের গভীর কেন্দ্র বিন্দুতে উপস্থিত। যাঁরা সে শক্তি অর্জন করবেন তাঁরা দেখেন এবং দেখতে থাকবেন। নূরে মুহাম্মদ (দ:) নামে পৃথিবীতে আগমনের বার্তা আদম (আ:) থেকে ঘোষিত হয়ে আসছে। এবং মানবের মুক্তির শান্তির নির্দেশনা গ্রন্থ আল-ক্বোরআন রেখে গেলেন। যাঁরা এ গ্রন্থ অনুসরণ অনুকরণে ব্রত, তাঁরাই মুক্তি পেলেন এবং পাবেন।
বাস্তব এবং অবাস্তব শব্দ দ্বয়ের মধ্যে ব্যবধান কি?
সর্বশক্তিমান নূরে আল্লাহর আবদার জনিত বাণী। “বিসমিল্লাহ” এবং দরুদাল্লাহ অর্থাৎ যে দরুদ আল্লাহ এবং ফিরিস্তাগণ পড়েন। তা দরুদে ইব্রাহীম নয়। দরুদে ইব্রাহীম নামাযের জন্য খাস, আর যে দরুদ সবসময় পড়া যায় যেমন, “ছাল্লেল্লাহু আইহীওয়াসাল্লাম” ছাল্লেল্লাহু আলা ছাইয়্যেদিনা মুহাম্মাদ ওয়া-আলীহি ওয়াসাল্লাম, ইত্যাদি এবং নবী (দ:) এর ওপর সম্মানের সাথে সালাম পাঠের স্রেষ্ট আবদারাদেশ সুতরাং পরিলতি হচ্ছে এ আদেশ লঙ্ঘনকারী ক্বোরআনের আওতাভুক্ত থাকবে না। নবী (দ:) এর মু-মোবারকের মাধ্যমে সরাসরি আগত এবং প্রথমোচ্চারিত বাক্য “বিসমিল্লাহ” শরীফ এটা বাস্তব। ইক্বরা দ্বিতীয় উচ্চারিত শব্দ। বিসমিল্লাহ বাক্যটি অতুল=তথা তুলনাহীন , সর্বশক্তিমান, সর্বস্রেষ্ট বাক্য, যা “কুরআনে পাকের ১১৪তম সূরা থেকে পৃথক ভাবে আগত। নবী (দ:) এর মু- মোবারকের মাধ্যমে সর্ব প্রথম একক অর্থাৎ স্বাধীনভাবে আগত সৃষ্টি জগতে ইসলামের ভিত্তি মূলত “বিসমিল্লাহ” নবী (দ:) কে সরাসরি বিসমিল্লাহ শরীফ শিা দিয়ে আল্লাহ স্বয়ং শিক হলেন- এবং বিসমিল্লাহ দ্বারা ইসলামের ভিত্তিস্থাপন করে আল্লাহ স্বয়ং সাী হলেন বলে বাস্তবে প্রমাণ রাখলেন। বাক্যটি বাংলা ভাষায় “আল্লাহর নামে” আরবী ভাষায় তা “বিসমিল্লাহ”। বিসমিল্লাহ প্রথম উচ্চারিত না হলে ইক্বরা উচ্চারিত হতো না এবং আল্লাহর সৃষ্ট জগতই মহা শক্তিমান আলো বা আল্লাহর বাস্তবতা প্রমাণ করে। নবী (দ:) আকারে এসেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন এবং জীবন জীবিকার পূর্ণ সংবিধান মহাগ্রন্থ আল কুরআন মানবকুলকে প্রদান করে গেলেন এটাই মানবের মুক্তিবিধান এবং মুহাম্মাদ (দ:) এর আগমনের এবং উপস্থিতির বাস্তবতা।